শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে রোগীদের ভোগান্তি
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে শিশু চিকিৎসক উপস্থিত না থাকায় সকাল থেকে মা ও শিশু রোগীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বুধবার সকালে এসে বিকেল পর্যন্ত এসব রোগী ডাক্তারের দেখা পাননি।
সরেজমিনে দেখা যায়, সকাল ৮টা থেকে জেলার ৬টি উপজেলা থেকে মা ও শিশু রোগীরা আসতে শুরু করেন। এতে উপজেলাগুলো থেকে আসা ২০০ রোগী নবজাতক, শিশু ও কিশোর বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মিজানুর রহমানের চেম্বারের সামনে জড়ো হয়। ডাক্তার না পেয়ে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন তারা।
জাজিরা উপজেলার কলমির চর মমিন খালাসীকান্দি থেকে আসা কহিনুর বেগম বলেন, আমার মেয়ের প্রচণ্ড জ্বর। জাজিরায় চিকিৎসক না পেয়ে সদর হাসপাতালে আসছি। এখানে এসে দেখি ডাক্তার নেই। এখন বাবুরে নিয়ে কি করব, কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।
নড়িয়া উপজেলা থেকে আসা ইদ্রিস মাদবর বলেন, ছেলেকে ডাক্তার দেখাতে এসে সকাল ৯টা থেকে অপেক্ষা করছি। হাসপাতালের স্টাফদের বার বার জিজ্ঞেস করছি ডাক্তার আসবে কখন? তারা বলে এইতো এসে পড়বে। কিন্তু বিকেল হয়ে গেল। এখনো ডাক্তার আসেনি। 
সদর উপজেলার শৌলপাড়া ও দক্ষিণ বিলাস খান থেকে আসা ইয়াসমিন আক্তার ও ডলি আক্তার বলেন, এ নিয়ে তিন থেকে চারবার এসেছি। হাসপাতালে ডাক্তার পাইনি। এখন ২টা বাজে। ডাক্তার কখন আসবে কে জানে। গরমের ভেতর অসুস্থ বাচ্চা নিয়ে সিদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।
জানতে চাইলে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শেখ মোহাম্মদ মোস্তফা বলেন, ডাক্তার তো থাকার কথা। কিন্তু কয়েকদিন আগে দুটি বাচ্চা মারা গেছে। তিনি সেখানে তদন্তে গেছেন। বিষয়টি আমি দেখছি।
শরীয়তপুর সিভিল সার্জন মশিউর রহমান টগরকে ফোন দিয়েও যোগাযোগ করা যায়নি।
মো. ছগির হোসেন/এএম/এমএস