ইয়াবাসহ বাসের চালক-হেলপার গ্রেফতার
কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযান চালিয়ে ৩২ হাজার ১১৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, একটি অটোরিকশা (সিএনজি) ও স্পেশাল সার্ভিসের যাত্রীবাহী বাস জব্দ করেছে বিজিবি। ইয়াবা পাচারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বাসের চালক-হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার পৃথক সময়ে এসব অভিযান চালানো হয়। শুক্রবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, চালক উখিয়া উপজেলার বালুখালী গ্রামের মৃত কাদির হোছনের ছেলে মনজুর আলম (২৮) এবং সুপারভাইজার টেকনাফ নতুন পলানপাড়া নুরুল ইসলামের ছেলে জসিম উদ্দিন (২০)।
বিজিবি সূত্র জানায়, টেকনাফের দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্টে নায়েব সুবেদার মো. কাজী জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে কক্সবাজারগামী স্পেশাল সার্ভিসের বাস (চট্ট-মেট্রো-জ-১১-০৩৯৭) তল্লাশি চালিয়ে টুলবক্স থেকে একটি এবং কেবিন লাইটের ভেতরে অভিনব কৌশলে লুকানো দুইটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এতে ২২ হাজার ১৮ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করে চালক-হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কিছু নগদ টাকা এবং তিনটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়েছে।
অপরদিকে, নাজিরপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. কাজী রাকিবুল হাসানের নেতৃত্বে বিশেষ টহল দল সাবরাং ইউনিয়নে নুর আহমদ চেয়ারম্যানের টেক নামক স্থানে টেকনাফমুখী অটোরিকশাকে (সিএনজি) থামানোর নির্দেশ দেয়। চালক উল্টো ঘুরে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। বিজিবির টহল দল পিছু ধাওয়া করলে চালক গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায়।
বিজিবির দল গাড়ি তল্লাশি করে চালকের সামনে ড্যাশবোর্ডে অভিনব কৌশলে লুকানো দুইটি প্যাকেট উদ্ধার করে। এতে ১০ হাজার ৯৬ ইয়াবা পাওয়া যায়। সিএনজিটি জব্দ করে চালক সাবরাং নয়াপাড়া পুরানপাড়ার বাসিন্দা মৃত কাছিম উদ্দিনের ছেলে লাল মিয়াকে (২৮) পলাতক আসামি করা হয়েছে।
টেকনাফ-২ বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক আবু রাসেল ছিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সায়ীদ আলমগীর/এআরএ/এমএস