কুমিল্লায় গৃহপরিচারিকার মৃত্যু নিয়ে রহস্য


প্রকাশিত: ০৩:২৭ পিএম, ২৮ অক্টোবর ২০১৬

কুমিল্লায় এক কলেজ অধ্যক্ষের বাসা থেকে খালেদা আক্তার (১৭) নামে এক গৃহপরিচারিকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। গৃহকর্তার পক্ষ থেকে এটিকে আত্মহত্যা দাবি করা হলেও নিহতের পরিবার বলছে এটি হত্যা। এতে করে এ মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।  

শুক্রবার নগরীর আদালত সড়কের বায়তুল নাহার নামে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলায় ওই অধ্যক্ষের বাসা থেকে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

দুপুরে কুমেকে হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়নাতদন্ত হয়েছে। পুলিশ ও ডাক্তারদের ভাষ্যমতে, ভিকটিমের গলায় দাগ রয়েছে।

গৃহকর্তা কলেজ অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ খালেদা আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করলেও তার পরিবারের অভিযোগ খালেদা আত্মহত্যা করতে পারে না। এতে করে এ মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। ১৭ বছরের কিশোরীর মৃত্যুর নেপথ্যে আত্মহত্যা নয়, হত্যার বিষয় রয়েছে বলে দাবি পরিবার ও এলাকাবাসীর। খালেদা আক্তার জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের নোয়াপুর গ্রামের মেয়ে।

পুলিশ জানায়, জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মিয়াবাজার কলেজের অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুলের ওই বাসায় খালেদা আক্তার দীর্ঘ দিন ধরে গৃহপরিচারিকার কাজ করে আসছিল।

বৃহস্পতিবার রাতে ওই বাসায় খালেদা রহস্যজনকভাবে মারা যায়। শুক্রবার সকালে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় খালেদা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচার করা হয়।

এ বিষয়ে অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুলের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রব সাংবাদিকদের জানান, ভিকটিমের গলায় দাগ রয়েছে। তার মৃত্যুর নেপথ্য কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ধর্ষণের আলামত আছে কিনা তা পরীক্ষাসহ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মো. কামাল উদ্দিন/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।