ভোলার উপকূলে এখনো আতঙ্ক কাটেনি
গভীর সমুদ্রে নিম্মচাপের প্রভাবে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘নাডা’ উপকূল অতিক্রম করলেও এখন আতঙ্ক কাটেনি ভোলার উপকূলের বাসিন্দারের। জেলার অন্তত ১০টি চরে কয়েক হাজার মানুষ এখনো ঝড় বৃষ্টিতে আতঙ্কে রয়েছেন।
রোববার সকাল থেকে পুরো আকাশ মেঘাচ্ছন্ন। থেমে থেমে বৃষ্টি ও ঝড় হচ্ছে। জেলাজুড়ে কখনো মাঝারি আবার কখনো গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া ছিল। যা রাত ৯টা পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বঙ্গোপসার উপকূলের কুকরি-মুকরি, ঢালচর ও মনপুরা উপজেলায় বৈরী আবহাওয়া অব্যাহত রয়েছে। উত্তাল রয়েছে সাগর ও নদী মোহনা। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কেউ কেউ মাছ শিকারের গেলেও বেশিরভাগ জেলে তীরে অবস্থান করছেন।
কুকরি-মুকরির সাবেক ইউপি সদস্য আবদুস সালাম বলেন, দিন থেকে রাত পর্যন্ত বৃষ্টি আর দমকা হাওয়া অব্যাহত রয়েছে। এতে এখনো ঝড়ের আতঙ্কে রয়েছে বাসিন্দারা। ঝড়ের আতঙ্ক কিছুতেই কাটছে না।
ঢালচর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান কালাম পাটোয়ারী বলেন, আকাশ এখনো মেঘাচ্ছন্ন। সঙ্গে বাতাস আর বৃষ্টি। এতে এখনো ঝড়ের আতঙ্ক কাটেনি। দুপুরের দিকে মাছ শিকার করতে গিয়ে একটি ট্রলার ডুবে গেছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।
ভোলা আবহাওয়া অধিদফতরের সিনিয়র অবজারভার আনোয়ার হোসেন বলেন, ঝড়ের শঙ্কা কেটে গেছে। তবে এখনো ৩ নাম্বার সংকেত জারি রয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ১৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে রোববার ৫টা পর্যন্ত ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ভোলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মসূচি (সিপিপি) উপ-পরিচালক মো. সাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, সিগন্যাল নামনো হয়েছে। তাই উপকূল থেকে ২টির স্থলে একটি পতাকা নামানো হয়েছে। ঝড়ের শঙ্কা না থাকার বিষয়টি সিপিপি কর্মীদের জানানো হয়েছে।
ছোটন সাহা/এএম/এবিএস