দুই বছরেও কূল-কিনারা হয়নি ডা. সুমি হত্যার রহস্য


প্রকাশিত: ০১:০৪ পিএম, ১২ নভেম্বর ২০১৬

দুই বছরেও আলোচিত ডা. শামারুখ মেহজাবিন সুমির রহস্যজনক মৃত্যুর কোনো কূল-কিনারা হয়নি। তার মৃত্যুর ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। এরই মধ্যে ১৩ নভেম্বর ডা. শামারুখ মেহজাবিন সুমির রহস্যজনক মৃত্যুর দ্বিতীয় বার্ষিকী।

২০১৪ সালের এদিন ধানমন্ডির ৬নং রোডের ১৪নং বাসা থেকে হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন ডা. শামারুখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ডা. শামারুখ মেহজাবিন সুমি তার শ্বশুর আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান, শাশুড়ি ডা. জেসমিন আরা ও স্বামী হুমায়ুন সুলতান সাদাবের সঙ্গে বসবাস করতেন। তিনি আত্মহত্যা করেন বলে শ্বশুর বাড়ির লোকজন দাবি করেন।

তবে ডা. সুমির বাবা প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি একটি মামলা করেন। প্রথম ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করা হলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে আদালতে পুনরায় তদন্তের আবেদন জানান। ফলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বিকাশ কুমার সাহা মরদেহ উত্তোলন করে পুনঃময়নাতদন্তের জন্য আদেশ দিয়েছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলনের পর সুরতহাল প্রতিবেদন ও দ্বিতীয় দফা ময়নাতদন্ত করা হয়।

বাদী নুরুল ইসলাম জানান, ডা. শামারুখের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মরদেহের পাঁচটি ও অন্যান্য ছয়টি স্যাম্পল পরীক্ষা করা হয় ঢাকাস্থ মহাখালী ফরেনসিক ল্যাবে। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় হত্যা কিংবা আত্মহত্যা কোনো কিছুই বোঝা যায়নি।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মুন্সী রুহুল কুদ্দুসের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই বলতে পারবো না। বিষয়টি বিচারাধীন, আদালত বলতে পারবেন।

মিলন রহমান/এআরএ/এবিএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।