গাজীপুরে জমে উঠেছে বিএমএ নির্বাচন


প্রকাশিত: ০১:৩৫ পিএম, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬

গাজীপুরে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নির্বাচন বেশ জমে উঠেছে। এ নির্বাচনে গাজীপুর থেকে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলরদের নির্ধারিত পাঁচটি পদে আওয়ামীপন্থী মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন-ইহতেশামুল হক চৌধুরী প্যানেলে সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এদিকে কাউন্সিলরদের নির্ধারিত পাঁচটি পদে আওয়ামীপন্থী মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় গাজীপুরে স্বাচিপের নেতা-কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিএমএ’র কার্যনির্বাহীটির সদস্য ও শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সদস্য প্রণয় ভূষন দাস জানান, বিএমএর গাজীপুর জেলা কমিটির সভাপতি ও স্বাচিপের গাজীপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন রাহাত। তিনি তার পক্ষের নেতৃবৃন্দ বিএমএ’র স্থানীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও স্বাচিপের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামানসহ অন্যদের সঙ্গে কোন সমন্বয় না করেই ওই প্রার্থী দিয়েছেন।

স্বাচিব নেতৃবৃন্দ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় না করে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ায় রাহাত ও মনির পক্ষের মধ্যে বিরোধিতা প্রকাশ পায়। পরে মনিরের অনুসারীরাও ওই পদে পাঁচজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু তাদের মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্রের মধ্যে ত্রুটির কথা উল্লেখ করে তা বাতিল করে দেয়া হয়। বর্তমানে হাফসা খানম ও মো. আশরাফ গাজী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

স্বাচিপের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান জানান, ২২ ডিসেম্বর বিএমএ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গাজীপুরে ভোটার সংখ্যা ৪০৭। এ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় কাউন্সিলরের গাজীপুরের জন্য নির্ধারিত পাঁচটি পদে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ফলে একই সংগঠনের নেতাদের মধ্যে অসন্তোষ ও বিভেদ দেখা দিয়েছে। দুই বছর আগে এক অনুষ্ঠানে স্বাচিপের এক নেতাকে আমির হোসেন রাহাত পক্ষের অনুসারীরা সহকর্মী অপর নেতাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার পর স্থানীয় স্বাচিব ও বিএমএ নেতা-কর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এ বিরোধের নিষ্পত্তি না হলে স্বাচিপ ও বিএমএ-এর মধ্যে বিশৃঙ্খলা রয়ে যাবে।

আমির হোসাইন রাহাত জানান, স্বাচিপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বসেই ওই নিয়মানুয়ায়ি পাঁচ পদে মো. মাসুদ রানা, মো. আফজাল হোসেন, অরুপ কুমার দাস, রাজীব হোসেন ও প্রবির কুমার সরকারকে প্রার্থী দেয়া হয়েছে। অন্যরা তাদের প্রার্থী নয়।

ডা. মনিরুজ্জামান স্বাচিপের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেও শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুভাষ কুমার স্বাচিপের সদস্য নয়। অধ্যক্ষ সুভাষ তার কিছু স্বার্থ ও সুযোগ-সুবিধা নিতেই ওই বিরোধের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।

তবে মনিরুজ্জামান কেন বিরোধিতা করেছেন তা তার জানা নেই বলে জানান, আমির হোসাইন রাহাত। তিনি বলেন, বিএমএ এবং স্বাচিবের কোন সভায় তাকে চিঠি দিলেও তিনি উপস্থিত হন না।

মোঃ আমিনুল ইসলাম/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।