জমি রক্ষায় খাল খননে নেমেছেন কয়েক হাজার গ্রামবাসী


প্রকাশিত: ১২:৫৩ পিএম, ১৬ মার্চ ২০১৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহ্বাজপুর ও শাহ্জাদাপুর ইউনিয়নের কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমি রক্ষা করতে স্বেচ্ছায় খাল খননে নেমেছেন স্থানীয় কয়েক হাজার গ্রামবাসী।

গত শুক্রবার সকাল থেকে খাল খননের কাজ শুরু করেন তারা।

কৃষকরা জানান, সরাইল উপজেলার শাহ্বাজপুর থেকে শাহ্জাদাপুর পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ কুচনি-বুড্ডা খালটিতে এক সময় শুষ্ক মৌসুমে আশুগঞ্জ উপজেলার পলাশ এগ্রো ইরিগেশন সেচ প্রকল্পের পানি সরবরাহ করা হত। কিন্তু, গত এক দশকে খালটির তলদেশ পলিজমে ভরাট হয়ে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে সেচ প্রকল্পের পানি আর আসছে না, এর ফলে পানির অভাবে কয়েক হাজার হেক্টর ফসলি জমিতে সঠিক সময়ে সেচ দেয়া যাচ্ছে না। এ নিয়ে কৃষকরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে একাধিকবার ধর্ণা দিলেও কোনো কাজ হয়নি। তাই দুই ইউনিয়নের কয়েক হাজার গ্রামবাসী শুক্রবার সকাল থেকে স্বেচ্ছায় জমি রক্ষার জন্য খাল খননের কাজ শুরু করেছেন।

শাহ্জাদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল হক জাগোনিউজকে জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমরান হোসেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাছে গ্রামবাসীদের নিয়ে একাধিকবার জমিতে সেচ দেওয়ার বিষয়ে আবেদন জানিয়েছি, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। তাই গ্রামবাসী তাদের জমি রক্ষার জন্যে সেচ্ছায় খাল খননে নেমেছেন।

এব্যাপারে জানতে চাইলে আশুগঞ্জের এগ্রো ইরিগেশন সেচ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান জাগোনিউজকে বলেন, প্রতিবছর তিতাস নদী থেকেই কৃষকরা পানি নিয়ে তাদের জমিতে সেচ কাজ পরিচালনা করেন। কিন্তু এ বছর পানি না আসায় সেচ কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। তবে এই প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তারা কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

এমএএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।