পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া


প্রকাশিত: ১০:৪৫ এএম, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের জমি অধিগ্রহণ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের সুখী নীলগঞ্জের হ্যাচারি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উত্তেজনার একপর্যায়ে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

২০১৪ সালে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের করনারি ভবনে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয় রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের শ্রেণি কার্যক্রম। মেডিকেল কলেজটির স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য ওই এলাকায় প্রায় ২৬ একর জায়গা অধিগ্রহণ করে সরকার।

পুলিশ ও সংশ্লিষ্টরা জানায়, জায়গাটি সরকারের মৎস্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্রয়কৃত। অনেকদিন অবেহেলায় পড়ে আছে জায়গাটি। এ অবস্থায় মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস স্থাপনের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। এজন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে হস্তান্তর করতে জায়গাটি পরিমাপ করতে যায় সংশ্লিষ্ট একটি টিম।

এ সময় উচ্ছেদের আশঙ্কায় আপত্তি জানায় এলাকাবাসী। এতে পুলিশ বাধা দেয়ায় উভয়ের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল গিয়ে হাজির হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অধিগ্রহণ করা জায়গায় স্থানীয়দের অনেক জমি ও আশেপাশের বাড়িঘর রয়েছে। যেগুলো সরকার মেডিকেল কলেজ নির্মাণের নামে জোরপূর্বক দখল ও উচ্ছেদের পাঁয়তারা করছে।

জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নান জানান, রোববার সকালে মেডিকেল কলেজের জমি পরিমাপ করতে গেলে খাসজমিতে বসবাসকারী কিছু গ্রামবাসী পরিমাপকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা চালায়। পরে তা শান্ত হয়।

রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ টিপু সুলতান বলেন, মেডিকেল কলেজের ভূমি অধিগ্রহণ কমিটিকে এলাকার কিছু লোকজন পরিমাপ কাজে বাধা দিতে আসে। পরে কথাবার্তার মাধ্যমে তা সমঝোতা হয়।

কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রশীদ জানান, মেডিকেল কলেজের ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে  গ্রামবাসীর সঙ্গে কমিটির কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়। এতে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে এলাকার লোকজন উত্তেজিত হয়। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

সুশীল প্রসাদ চাকমা/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।