টঙ্গীতে শ্রমিকদের জন্য ২শ শয্যার হাসপাতাল হবে


প্রকাশিত: ০৮:৪১ এএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক বলেছেন, টঙ্গীতে শ্রমিকদের জন্য দুইশ শয্যার আন্তর্জাতিকমানের একটি হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে। যেখানে একই মানের ১০ শয্যার একটি বার্ন ইউনিটও থাকবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে হাসপাতালটির নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

গাজীপুরের টঙ্গীতে টাম্পাকো ফয়লস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের উত্তরাধিকার  ও আহত শ্রমিকদের মাঝে বৃহস্পতিবার দুপুরে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

টঙ্গীস্থ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের উপ-মহাপরিদর্শকের কার্যালয়ের মিলনায়তনে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহম্মদের সভাপতিত্বে অন্যদের বক্তব্য দেন- গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহিদ আহসান রাসেল, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মিকাইল শিপার, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মো. আনিসুল আউয়াল, গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোলায়মান, গাজীপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, শ্রমিক নেত্রী সামসুন্নাহার প্রমুখ। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, টঙ্গী এলাকায় জমি প্রাপ্তি সাপেক্ষে নারী শ্রমিকদের আবাসনের জন্য একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে।

তিনি বলেন, শ্রমিকদের কোনো সন্তান সরকারি মেডিকেল কলেজ ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করলে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের তহবিল থেকে তিন লাখ টাকা এবং পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়ার জন্য প্রতি শিক্ষার্থীকে ওই তহবিল থেকে ৫০হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। কোনো শ্রমিক ক্যান্সারের মতো জটিলরোগে আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসার জন্য এক লাখ টাকা করে দেয়া হবে।

তিনি নিহত ৩২জন শ্রমিকের প্রত্যেককের উত্তরাধিকারকে তিন লাখ টাকা করে এবং এবং আহত ৪০জন শ্রমিকের প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকার অনুদানের চেক বিতরণ করেন।

এ টাকার মধ্যে বাংলাদেশ  শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দুই লাখ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সংগৃহীত ফান্ড থেকে এক লাখ টাকা রয়েছে। এ ছাড়া নিহত শ্রমিকদের উত্তরাধিকারকে শ্রম আদালত থেকে আরও এক লাখ টাকা দেয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী ।  

গত বছর ১০ সেপ্টেম্বর টঙ্গীতে টাম্পাকো ফয়লস লিমিটেড কারখানায় বিষ্ফোরণ ও অগ্নিদুর্ঘটনায় কর্মরত অবস্থায় ৩২ জন শ্রমিকসহ ৩৯জন নিহত এবং কমপক্ষে ৪০ জন আহত হন। কয়েক দিন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছিল।

মোঃ আমিনুল ইসলাম/আরএআ/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।