এক্স-রে মেশিন বিকল ১৯ মাস, রোগীদের ভোগান্তি


প্রকাশিত: ১১:৩৩ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক্স-রে মেশিনটি গত ১৯ মাস ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। এ কারণে হাসপাতালের বাইরে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে এক্স-রে করাতে হচ্ছে রোগীদের। এতে একদিকে যেমন তারা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন অন্যদিকে গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের মার্চ মাসে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য স্টারলিংক কোম্পানির ওই এক্স-রে মেশিনটি সরবরাহ করে স্বাস্থ্য বিভাগ।

এরপর দক্ষ প্রকৌশলীর অভাবে এটি প্রায় ৫ মাস বন্ধ থাকে। ২০১৪ সালে আগস্ট মাসে প্রকৌশলী আসলে মেশিনটি চালু করা হয়। চালুর দুই মাস পর মেশিনটি প্রথম ত্রুটি দেখা দিলে তা মেরামত করা হয়।

২০১৫ সালের জুন মাসে এটি আবার দ্বিতীয়বারের মতো বিকল হয়। তখন ২০১৫ সালের জুলাই মাসে মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখাকে (নিমিউ) চিঠি দেয় স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ।

কিন্তু মেরামতকারীরা এসে জানান, মেশিনটির ভেতরে পানি জমার কারণে কন্ট্রোল বোর্ড নষ্ট হয়ে গেছে। এরপর থেকে এভাবেই অচল পড়ে আছে যন্ত্রটি।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী আবু মোতালেব হোসেন বলেন, হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন নষ্ট হওয়ার কারণে বাধ্য হয়ে বাইরে এক্স-রে করাতে হয়।

জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গউছুল আজম চৌধুরী জানান, মেশিনটি বিকল থাকায় গত এক বছর ধরে সংশ্লিষ্ট দফতরে কয়েকবার লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না। এখানে আমার করার কী আছে।

জাহেদুল ইসলাম/এএম/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।