কমিটি নিয়ে না.গঞ্জে বিএনপিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীকে নবগঠিত মহানগর বিএনপির কমিটির যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে। দলের কমিটিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে একজন কর্মচারীকে দেয়ায় বিএনপিতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের ওই কর্মচারী একজন ওয়ার্ড কাউন্সিলরের সচিব হিসেবে কাজ করবে যা সিটি করপোরেশনের ‘দক্ষ শ্রমিক’ কোটায় অন্তর্ভুক্ত। আর ওই কমিটিতে দ্বিতীয় যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে একজন কাউন্সিলরকে যিনি একই সঙ্গে মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক ও ১৩টি মামলার কারাভোগকারী আসামি।
এদিকে, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির প্রাথমিক ২৩ সদস্যের কমিটিতে দুইজনকে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে। তাদের একজন হলেন, আজহারুল ইসলাম বুলবুল।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি সিটি কর্পোরেশনের ২০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম নবী মুরাদের সচিব। সিটি কর্পোরেশন থেকে তাকে ‘দক্ষ শ্রমিক’ কোটায় দৈনিক ২০০ টাকা হিসেবে প্রতি মাসে ৬ হাজার টাকা বেতন দেয়া হয়।
এসএসসি পাশ বুলবুলের পরের যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে, সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে। গত ৫ জানুয়ারি বিএনপির ভাষায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার দিবসে মিছিল করতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছিলেন খোরশেদ। যিনি এর আগেও একাধিকবার কারাবরণ করেন।
এ ব্যাপারে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, কমিটি কেন্দ্র থেকে ঘোষিত। কেন্দ্র যে ২৩ জনকে পদায়ন করেছে সেটি কেন্দ্রের বিষয়। তবে আমরা বুধবার সকালে বসেছিলাম। পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে যোগ্যদেরকে পদায়ন করা হবে।
গত সোমবার ১৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির নতুন করে কমিটি গঠন করা হয় যেখানে সাবেক এমপি আবুল কালামকে সভাপতি ও বিলুপ্ত শহর বিএনপির সেক্রেটারি এটিএম কামালকে সেক্রেটারি করা হয়।
পরদিন মঙ্গলবার ১৪ ফেব্রুয়ারি মহানগরে ২৩ সদস্যের আংশিকভাবে মহানগর কমিটির অনুমোদন দেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলম আলমগীর। কমিটিকে পরের ৩০ দিনের মধ্যে ১৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনেরও নির্দেশনা রয়েছে অনুমোদন পত্রে।
শাহাদাত হোসেন/এএম/এমএস