পিরোজপুরে অবৈধ উপায়ে লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ
পূর্বের নিয়োগকৃত এক সহকারী লাইব্রেরিয়ানকে বাদ দিয়ে অর্থের বিনিময়ে ওই পদেই অাবারও এক শিক্ষককে নিয়োগ দিলেন রাজারকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগ রয়েছে, পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়নের রাজারকাঠি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০১১ সালে সহকারী লাইব্রেরিয়ান হিসেবে নিয়োগ পান মনিরুজ্জামান সেখ।
গত ৪ বছর ধরে তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক কাজল কুমার রায় সম্প্রতি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটিকে অবহিত না করে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে দৈনিক পত্রিকায় গত ৫ জানুয়ারি একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন। তার পছন্দের লোককে তিনি নিয়োগ দেয়ার জন্য কারসাজি করে নিয়োগ প্রদান করেন।
অভিযোগ উঠেছে, প্রধান শিক্ষক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. হায়দার মাঝিকে বিষয়টি অবহিত এবং র্যাজুলেশন না করে সম্পূর্ণ অবৈধ উপায়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি নুতন সহকারী লাইব্রেরিয়ান নিয়োগ দেন।
এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই নিয়োগের ব্যাপারে অবগত নন। লাইব্রেরিয়া নিয়োগের ব্যাপারে তাকে অবগত করা হয়নি।
তিনি আরও জানান, এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উপায়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে এই নিয়োগ দেয়া হয়। ২০১১ সাল থেকে লাইব্রেরিয়ান মনিরুজ্জামান দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কিন্তু গত ১৭ ফেব্রুয়ারি ওই পদে আবারও নুতন লোক নিয়েছে বলে শুনেছি। এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক এখন পর্যন্ত কোন মিটিং ডাকেনি।
এ ব্যাপারে সহকারী লাইব্রেরিয়ান মনিরুজ্জামান সেখ বলেন, প্রধান শিক্ষক সম্পূর্ণ অবৈধ্য উপায়ে এবং অর্থের বিনিময়ে এ নিয়োগ দেন। আমি দীর্ঘ ৪ বছর ধরে এই স্কুলে লাইব্রেরিয়ান পদে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে অসছি। আমার নিয়োগপত্রও রয়েছে। আমাকে কিছু অবগত না করে প্রধান শিক্ষক কাজল কুমার রায় এ নিয়োগ দেন।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক কাজল কুমার রায় বলেন, মনিরুজ্জামানের সনদ দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাও তিনি কিনেছেন। আদালতের রায়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ বলে তার সনদ বাতিল। কাজেই তার চাকরি নেই।
হাসান মামুন/এএম/জেআইএম