বরিশাল বিআরটিএর উৎকোচ বাণিজ্যের তদন্ত শুরু
বরিশাল বিআরটিএর উৎকোচ বাণিজ্যের তদন্তে নেমেছে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে তদন্তে আসেন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ডিডি ল’ খায়রুল আলম।
বেলা ১১টা থেকে দুপুর পর্যন্ত তিনি সার্কিট হাউসের তিন তলায় অবস্থান নিয়ে জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি শ্রমিকলীগ নেতা আফতাব হোসেন এবং বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন শিপনের পৃথক পৃথক সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট আরো ৬/৭ জনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ অভিযুক্ত কর্মকর্তা বরিশাল সার্কেলের সহকারী পরিচালক শাহআলম।
এদিকে, ডিডি ল’ তদন্তে আসার কারণে বৃহস্পতিবার বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের দোতলায় স্থাপিত বিআরটিএর কার্যালয়ের চিত্রও ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন্। যেখানে সারাক্ষণ অফিস কর্মচারি থেকে শুরু করে আনসার এবং বাইরের লোকজন দালালি কাজে ব্যস্ত সময় কাটাতেন। সেখানে তারা ছিলেন সম্পূর্ণ নীরব।
বাইরের দালালদেরও তেমন একটা দেখা যায়নি। আর অফিসের যারা দালালি করতেন তারা সকলেই ছিলেন যে যার নিয়মমাফিক কাজে ব্যস্ত। আর তদন্ত কর্মকর্তার পিছু ছাড়েননি বিআরটিএ’র বরিশালস্থ সহকারী পরিচালক ও ঝালকাঠীর অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক শাহ আলম।
জেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি শ্রমিকলীগ নেতা আফতাব হোসেন জাগো নিউজকে জানান, ওই দপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সার্কিট হাউসে উপস্থিত হতে অনুরোধ করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে গেলে বিভিন্ন বিষয় জানতে চাওয়া হয়।
বিআরটিএর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ডিডি ল’ খায়রুল আলম জাগো নিউজকে জানান, বরিশাল বিআরটিএ অফিসের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির সত্যতা জানতে ৬/৭ জনের সঙ্গে কথা হয়েছে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যে তথ্য বেরিয়ে এসেছে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
এমজেড/এমএএস/আরআইপি