চলনবিল এলাকায় ছুটি বাতিল, ঋণের টাকা না তোলার নির্দেশ
চলনবিলে উত্তরাঞ্চল থেকে নেমে আসা ঢলের পানি কমতে শুরু করেছ। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত চার থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার পানি কমেছে বলে দাবি স্থানীয় কৃষি বিভগের।
এছাড়া উক্ত এলাকায় সরকারি কর্মকর্তাদের সকল প্রকার ছুটি বাতিল ঘোষণাসহ বিভিন্ন এনজিওকে ঋণের টাকা না তুলতে নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক।
গত তিনদিনের অব্যাহত পানিতে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে কৃষি বিভাগ। এখন পর্যন্ত দুই হাজার কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।20170428132144.jpg)
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার, জনস্বাস্থ্যর নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াজেদ আলী, সিংড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ নাজমুল হাসান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌসসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত চলা ওই সভায় জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে জেলার সিংড়া এবং গুরুদাসপুরে ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে সিংড়ায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়েছে ৪শ হেক্টর এবং আংশিক ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১২শ হেক্টর এবং গুরুদাসপুরে দুইশ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 20170428132141.jpg)
এসময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সরকারিভাবে পুনর্বাসন এবং আর্থিক সহায়তার জন্য তালিকা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি। তিনি আপদকালীন সময়ে সকল এনিজিওকে ঋনের টাকা না তোলারও নির্দেশ দেন।
এদিকে শুক্রবার সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার ঢলের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত বোরোচাষিদের জমি সরজমিন পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন।
রেজাউল করিম রেজা/এফএ/এমএস