স্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে তালা, অফিস সময়েও মিলছে না সেবা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
প্রকাশিত: ০৩:৪৬ পিএম, ১২ মার্চ ২০২৬

বান্দরবানে নির্ধারিত অফিস সময়েও স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে দিনের পর দিন তালা ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১২টায় সরজমিনে কার্যালয়টিতে গিয়ে দেখা যায়, মূল ফটকে ঝুলছে তালা। পার্শ্ববর্তী অফিসের এক কর্মচারীর বরাতে ডাকাডাকি করলে অফিসটির এক কর্মচারী ওপর থেকে এসে তালা খুলে দেন। সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ তিনজনকে উপস্থিত পাওয়া যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্যখাত উন্নয়নমূলক কাজের বিষয়ে তথ্য ও সেবা নিতে প্রায়ই মানুষ স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কার্যালয়ে আসেন। কিন্তু অধিকাংশ সময় অফিসে এসে গেটে তালা ঝুলতে দেখে হতাশ হয়ে ফিরে যেতে হচ্ছে সেবাপ্রত্যাশীদের। জনসেবা নিশ্চিত করতে বিষয়টি তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

স্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে তালা, অফিস সময়েও মিলছে না সেবা

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সুমন ও হেলাল উদ্দীন বলেন, প্রয়োজনীয় কাজ নিয়ে বান্দরবান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে বেশ কয়েকবার গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু অফিস কার্যালয়ের মূল ফটকে প্রতিবারই তালা বদ্ধ ও যোগাযোগের মাধ্যম না পেয়ে বাধ্য হয়ে ফিরে যেতে হয়েছে তাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পার্শ্ববর্তী অপর অফিসের এক কর্মকর্তা বলেন, বান্দরবান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের কর্মচারী-কর্মকর্তারা নিয়মিত অফিসে উপস্থিত না থাকায় তাদের দপ্তরের নামে আসা অধিকাংশ চিঠি এখানে দিয়ে যায় বাহকরা।

বান্দরবান স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. আব্দুর রৌফ কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা বদ্ধ করে রাখার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, তাদের কার্যালয়ে জনবল সংকটের কারণে এমনটা করেছেন। জনবল বৃদ্ধির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন এবং মূলফটকে যোগাযোগের নাম্বার স্থাপনের জন্য দোকানে প্রিন্ট করতে দিয়েছেন। তবে তার দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি তিনি।

নয়ন চক্রবর্তী/কেএইচকে/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।