নাটোরে ঝড়ে ২ জনের মৃত্যু, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি


প্রকাশিত: ০৩:৫৯ পিএম, ২৯ এপ্রিল ২০১৭

নাটোরে কালবৈশাখী ঝড়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ভেঙে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে মুনজিল হোসেন (৪০) ও বিদ্যুতায়িত হয়ে নুরু হোসেনের (৫০) মৃত্যু  হয়েছে। এসময় আহত হয়েছে অজ্ঞাত এক নারী। তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার সন্ধ্যার দিকে কাল বৈশাখী ঝড়ে এঘটনা ঘটে। এছাড়াও জেলার সদর উপজেলা, গুরুদাসপুর, সিংড়া, বড়াইগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকার আম, লিচুসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবাষিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মুনজিল হোসেনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চত করে জানান, ঝড়ে এলাকার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বড় বড় গাছপালা ভেঙে পড়েছে। ঝড়ের সময় চরকাদাহ এলাকার আবু তালেবের বাড়ির বারান্দায় বসে ছিলেন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকা থেকে আসা ধান কাটা শ্রমিক মুনজিল হোসেন। এসময় ঝড়ে গাছ ভেঙে ওই বাড়ির বারান্দার ওপর পড়ে। এতে গাছের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে নাটোর সদর উপজেলার গৌবিন্দপুর গ্রামে ঝড়ে ছিড়ে পড়া বিদ্যুতের তার জড়াতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয় নুরু হোসেন নামের এক বৃদ্ধ বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়।

এছাড়া ঝড়ে সিংড়া উপজেলার চামারী ইউনিয়নের বাহাদুরপুর, পাংগাশিয়া, চককালিকাপুর, মহিষমারী, বিলদহর এলাকার ঘর-বাড়ি ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া সদর উপজেলার ধরাইলে গাছের ডাল ভেঙে আহত হয়েছেন এক নারী। আহত অবস্থায় তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাটোরের জেলা প্রশাসক শাহিনা খাতুন জানান, তিনি কিছু কিছু এলাকায় ঝড়ের খবর শুনতে পেয়েছেন। তবে কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে এখনও কিছু বলা যাচ্ছে না। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রেজাউল করিম রেজা/এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।