ফতুল্লায় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ২০


প্রকাশিত: ১০:২৪ এএম, ১৮ মে ২০১৭
প্রতীকী ছবি

নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লার বক্তাবলী ও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে সামাদ আলী খালেক মাতব্বর ও মোক্তার মমতাজ গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এতে উভয় পক্ষে গুলিবিদ্ধ, টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় এলাকায় থমথম অবস্থা বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বক্তাবলীর চর আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে আহতদের ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বক্তাবলীর আকবর নগর গ্রামে সামাদ আলীর সঙ্গে মোক্তার বাহিনীর আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

বিরোধের জেরে বুধবার বিকেলে কেরানীগঞ্জ থানা এলাকার চর আকবরনগর এলাকায় খালেদ মাতব্বরের মালিকনাধীন একটি ইটভাটার জমি মাপা নিয়ে দুই গ্রুপের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ সময় খালেক মাতব্বরসহ তার সন্তান সুরুজ্জামানকে মারধর করা হয়। এরই সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় সামাদ আলীর লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে মোক্তার বাহিনীর সদস্য মমতাজের লোকজনদের ওপর হামলা চালায়।

একপর্যায়ে মোক্তার বাহিনীর লোকজন একত্রিত হয়ে সামেদ আলী বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং উভয় গ্রুপে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওই হামলায় শুরুতে কয়েকটি বসত ঘর ভাঙচুর করার পর দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

এতে মমতাজ গ্রুপের সুজন (২৪) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়, আর উভয় গ্রুপের আহতরা হলেন খালেক, সিয়াম, সোহেল, ইমরান, বিপ্লব ও মোহাম্মদ আলীসহ ২০ জন।

ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামালউদ্দিন বলেন, ঘটনাটি ফতুল্লা ও সিরাজদিখান থানার সীমান্তবর্তী এলাকাতে ঘটনা। বিশেষ করে সংঘর্ষের সংবাদে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ঘটনাস্থল অন্য থানায় হওয়ায় আমাদের পুলিশ চলে আসে এবং আমাদের এরিয়ায় অবস্থান নেয়। ঘটনাস্থলে সিরাজদী খান থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

সিরাজদিখান থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শাহাদাত হোসেন/এএম/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।