শিগগিরই খুলছে কসবা সীমান্ত হাট
ভারত ও বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি অনুযায়ী সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীদের জন্য দু’দেশের যৌথ উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন সীমান্তে নির্মিত হয়েছে সীমান্ত হাট। এরই ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার তাঁরাপুর সীমান্তে নির্মিত হচ্ছে সীমান্ত হাট।
ইতোমধ্যে এই সীমান্ত হাটের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়ে গেছে। এর ফলে আগামী জুন মাসেই কসবা সীমান্ত হাটের দ্বার খুলতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ২০১৪ সালের ২১ মে জেলার কসবা উপজেলার তাঁরাপুর সীমান্তের ২০৩৯ নং পিলার সংলগ্ন বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে দু’দেশের যৌথ মালিকানায় সীমান্ত হাটের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করা হয়। বাংলাদেশের ৬৯.৬৬ শতাংশ ও ভারতের ৬৯.৬৬ শতাংশ ভূমিতে ভারত সরকারের দুই কোটি ৪৪ লাখ রুপি ব্যয়ে ৫০টি দোকান ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। তিন মাসের মধ্যে হাটের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে তা পিছিয়ে পড়ে। তবে ইতোমধ্যে হাটের ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে হাট কর্তৃপক্ষ। এর ফলে আগামী জুন মাসের যে কোনো একদিন হাটের উদ্বোধন করা হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।
সীমান্ত হাটে বাংলাদেশের ২৫ জন ও ভারতের ২৫ জন ব্যবসায়ী নির্ধারিত পণ্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন।
প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত চলবে হাটের কার্যক্রম। হাটের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
এ ব্যাপারে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, হাটের আশ-পাশের পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত এলাকা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে রাখা হবে। প্রাথমিকভাবে হাটে এক হাজার জন ক্রেতা পণ্য সামগ্রী ক্রয় করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে এর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। তবে হাটে যাওয়ার আগে ক্রেতা-বিক্রেতাকে অবশ্যই সীমান্ত হাট ব্যবস্থাপনা কমিটির কাছ থেকে পরিচয়পত্র বা পাস কার্ড সংগ্রহ করতে হবে বলে জানান তিনি।
এদিকে সীমান্ত হাট উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীর মধ্যে আর্থিক ও সামাজিক বন্ধন আরো সুদৃঢ় হবে বলে মন করছেন স্থানীয় এলাবাসী।
এমএএস/আরআইপি