মিয়ানমারে কারাভোগ শেষে বাংলাদেশে ফিরলেন ১৯ জন


প্রকাশিত: ১১:২৪ এএম, ১৫ জুন ২০১৭

মিয়ানমারে কারাভোগ শেষে এক রোহিঙ্গা ও ১৮ বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের অভ্যন্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকের মাধ্যমে ১৯ জনকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মিয়ানমার-বাংলাদেশের উখিয়ার পার্শ্ববর্তী ঘুমধুম সীমান্তের বিপরীতে মিয়ানমারের ঢেকিবনিয়ায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশের পক্ষে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান। মিয়ানমারের ১৩ সদস্যের নেতৃত্ব দেন মিয়ানমারের ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-পরিচালক উ থাং চু।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি মিয়ানমারে যান। বৈঠক শেষে ১৯ জনকে নিয়ে দুপুর ২টার দিকে তারা ফিরে আসেন।

ফেরত আসা ব্যক্তির মধ্যে কক্সবাজার জেলাসহ দেশের ৯ জেলার ১৮ জন রয়েছে। একজন টেকনাফের নয়াপাড়া শরাণার্থী ক্যাম্পের বাসিন্দা রোহিঙ্গা।

এরা হলেন- কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার লেদা এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে ফজল করিম, হোয়াইক্যং এলাকার নাজির হোসেনের ছেলে আবু বক্কর, মুন্ডার ডেইল এলাকার আমির আহমদের ছেলে মোহাম্মদ ইসমাইল, টেকনাফের নয়াপাড়ার শরণার্থী ক্যাম্পের সি ব্লকের মকবুল আহমদের ছেলে আবদুস শুক্কুর, উখিয়া উপজেলার বালুখালী এলাকার মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের ছেলে সৈয়দ হোসেন, রামু উপজেলার রাবেতা এলাকার মোহাম্মদ সিদ্দিকের ছেলে নুরুল হুদা, সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার তামাই এলাকার দিরাজ শেখের ছেলে হারুন শেখ, একই জেলার শাহাজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ি এলাকার শামসুলের ছেলে কামরুল।

জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর উপজেলার মেলা ঘবিনাথপুর এলাকার মৃত মোস্তাক আলীর ছেলে আনিসুর রহমান, একই জেলার মৃত আফতাব মন্ডলের ছেলে লাল মোহাম্মদ, বগুড়া জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার মাহমুদপুর এলাকার মোহাম্মদ দেলোয়ারের ছেলে জাহেদুল ইসলাম, একই জেলার জিন্নাতবাজার এলাকার ওসিম উদ্দিনের ছেলে তাজুল উদ্দিন, একই এলাকার সৈয়দুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ ইউসুফ, হাজি এমদাদ আলীর ছেলে হোসেন আলী, ঢাকা জেলার রোস্তম আলীর ছেলে সোহেল খান, নরসিংদী জেলার সুলতান মিয়ার ছেলে শাহেদুল ইসলাম, পাবনা জেলার আলী হোসেনের ছেলে হৃদয় হোসেন, হবিগঞ্জ জেলার মোহাম্মদ ইব্রাহিমের ছেলে ইসহাক মিয়া এবং সুনামগঞ্জ জেলার গৌরনগর এলাকার সুরন্দ্র ছত্রধরের ছেলে প্রদীপ ছত্রধর।

কক্সবাজারস্থ ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মঞ্জুরুল হাসান খান জানান, এদের মধ্যে সাতজন জেলে এবং ১২ জন সাগরপথে মালয়েশিয়ায় যাত্রাকালে মিয়ানমারের আটক হয়েছিল। বিভিন্ন মেয়াদে তারা সাজাভোগ করেছেন। সাজা শেষে তাদেরকে হস্তান্তর করা হলো।

সায়ীদ আলমগীর/আরএআর/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।