পঞ্চগড়ে ৭৩১ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ


প্রকাশিত: ০১:০২ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৭

পঞ্চগড়ে ১০ টাকা কেজি দরে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগে পঞ্চগড় রাইস মিল লিমিটেড নামে একটি চাল প্রক্রিয়াজাত কারখানা সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এ সময় ৭৩১ বস্তা ত্রাণের চাল জব্দ করা হয়। তবে কারখানার মালিক পক্ষের দাবি, প্রক্রিয়াজাত করণ এবং সরকারি খাদ্যগুদামে সরবরাহের জন্য তারা বৈধভাবে সরকারি খাদ্য অধিদফতরের সরবরাকৃত ৩০ কেজি চালের বস্তায় চাল মজুদ রেখেছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলার প্রক্রিয়া নেয়া হচ্ছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র জানায়, সোমবার দুপুরে নীলফামারী র‌্যাব-১৩ ও পুলিশ সদস্যদের সহযোগিতায় পঞ্চগড় বিসিক শিল্প নগরীর ওই কারখানায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং সদর উপজেলা প্রশাসন যৌথভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে।

এর আগে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগে একই আদালতের মাধ্যমে জিকো ওয়েল মিলে ৫ হাজার এবং আমন্ত্রণ ব্রেড অ্যান্ড কনফেকশনারিতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু ওয়াদুদ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক হেলাল উদ্দিন, নীলফামারী র‌্যাব-১৩ উপ সহকারী পরিচালক ইয়ার আলী, সদর থানা পুলিশের রবিউল হাসান সরকার, জেলা সেনেটারি ইন্সপেক্টর আলী নেওয়াজ চৌধুরী, কনজুমার অ্যাসোসিয়েশন পঞ্চগড় (ক্যাপ) প্রতিনিধি আনিছুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

চাল প্রক্রিয়াজাত কারখানা পঞ্চগড় রাউচ মিল লিমিটেডের অন্যতম পরিচালক আব্দুস সামাদ পুলক বলেন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ছাড়া কোনো চাল সরকারি খাদ্যগুদাম গ্রহণ করে না। বিভিন্ন চালকলে উৎপাদিত চাল প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য সরকারি খাদ্য অধিদফতরের সরবরাকৃত ৩০ কেজি চালের বস্তায় চাল মজুদ করা হয়েছে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু ওয়াদুদ বলেন, মজুদ চালের বস্তায় যেহেতু সরকারি সিল রয়েছে এ জন্য আমরা চাল জব্দ করে কারখানা সিলগালা করেছি। পাশপাশি পুলিশকে যথাযথ আইনে একটি মামলা রুজু করার জন্য বলা হয়েছে।

সফিকুল আলম/এএম/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।