কুষ্টিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কুষ্টিয়া
প্রকাশিত: ০২:৩৩ এএম, ২৬ জুলাই ২০১৭

কুষ্টিয়া সদর ও ভেড়ামারায় পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সোবহান আলী ও হাসানুজ্জামান লালন নামের দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা ডাকাত বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ সময় পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়েছেন।

ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল, দেশীয় তৈরি পাইপগান, একটি শাটারগান, ৩ রাউন্ড গুলি ও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত করাত, রামদাহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন খন্দকার জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে ভেড়ারামার দশমাইল নামক স্থানে একদল ডাকাত ডাকাতি করছে। এসময় ভেড়ামারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেখানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে এক ডাকাত নিহত হন।

পুলিশ জানায়, নিহত ডাকাত হাসানুজ্জামান লালন গাংনীর মনোহরদিয়া গ্রামের আলীম উদ্দিনের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি শাটারগান, এক রাউন্ড গুলি ও করাত উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি এ সময় ভেড়ামারা থানার ৩ পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ জানায়, নিহত লালনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

এদিকে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন জানান, আটক ডাকাত সোবহান আলীর স্বীকারোক্তি মোতাবেক থানা পুলিশ মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়াদি গোরস্থান এলাকায় তাকে সঙ্গে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে বের হয়।

এসময় আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুুলিশ তাদের উপর পাল্টা গুলি চালালে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এসময় পুলিশ ঘটনাস্থলে সোবহান আলীকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটা বিদেশি পিস্তল, একটি দেশীয় বন্দুক, এক রাউন্ড গুলি ও ৩ রাউন্ড গুলির খোসা, একটি চাইনিজ কুড়াল ও একটি হাসুয়া উদ্ধার করে।

নিহত সোবহানের নামে কুষ্টিয়া মডেল থানা ও কুমারখালী থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে ৮টি মামলা রয়েছে বলে ওসি নাসির উদ্দিন দাবি করেন।

আল-মামুন সাগর/এফএ/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।