এক রাতে ১০ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বাগেরহাট
প্রকাশিত: ০২:২৮ পিএম, ০৫ আগস্ট ২০১৭

বাগেরহাটের চিতলমারী ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সীমান্ত মধ্যবর্তী মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে এক রাতে ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সব কিছু হায়িয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা চরম হতাশার মধ্যে রয়েছেন। যেকোনো সময় নতুন স্থান ভাঙনের কবলে পড়তে পারে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কায় রয়েছেন। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের শৈলদাহ বাজারে গতকাল শুক্রবার রাতে মধুমতি নদীর ভাঙনে বাজার ব্যবস্থানা কমিটির অফিসসহ প্রায় ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এ ঘটনায় বাজারের ব্যবসায়ী শাহ আলম শেখ, শাহাদাৎ হোসেন, রহমান শেখ, মোমরেজ খান, লিন্টু খানসহ প্রায় ১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

এতে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। ভাঙনে সবকিছু হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা চরম হতাশায় রয়েছেন।

নদী ভাঙনের খবর জানতে পেরে শনিবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার পারভেজ, কলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান সিকদার মতিয়ার রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আনন্দ লাল দত্ত, কলাতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. বাদশা মিয়া শেখসহ স্থানীয় নেতারা ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন।

এ ব্যপারে কলাতলা ইউপি চেয়ারম্যান সিকদার মতিয়ার রহমান জানান, ভাঙনকবলিত স্থানে প্রাথমিকভাবে বালুর বস্তা দিয়ে প্রতিরোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে যেকোনো সময় নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আনোয়ার পারভেজ জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করা হচ্ছে। স্থায়ীভাবে ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। নদীভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

শওকত আলী বাবু/এএম/জেআইএম