চাঞ্চল্যকর ৪ হত্যা মামলা : গ্রেফতার আরো ১


প্রকাশিত: ০১:২৫ পিএম, ০৫ জুন ২০১৫
প্রতীকী ছবি

বান্দরবান পার্বত্য জেলার কুহালং ইউনিয়নের ক্যামলং এলাকার একটি খামার বাড়িতে একই পরিবারের চারজনকে জবাই করে হত্যা করার অভিযোগে মো. আব্দুল মোনাফ (২৮) নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের দোহাজারির বার্মা কলোনিতে শুক্রবার সকালে অভিযান চালিয়ে নিহতের শ্যালক আব্দুল মোনাফকে গ্রেফতার করে তারা।

এর আগে গত ৩০ মে চট্টগ্রামে পটিয়া বার্মিজ কলোনী থেকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেব নুর বাহারকে আটক করা হয়। এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে দুই জনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ।

এদিকে গ্রেফতারে পর পুলিশকে নুর বাহার জানিয়েছে, নিহত মোহাম্মদ আমিনের সঙ্গে ছয় বছর আগে নুরুন্নাহারের বিয়ে হয়। মোহাম্মদ আমিন তার তৃতীয় স্ত্রী নুরুন্নাহার, তিন বছরের ছেলে লালু, প্রথম স্ত্রীর ছেলে জোনায়েদ, বড় বোন বেগম বাহার, তার ছেলে মো. হামিদ ও ইলিয়াস একটি ঘরে এক সঙ্গে বসবাস করতো।  এক সময় খামারবাড়ির কেয়াটেকার গোপালের সঙ্গে আমিনের তৃতীয় স্ত্রী নুরুন্নাহারের মধ্যে অসামাজিক কার্যকলাপ দেখে ফেলায় আমিন তার স্ত্রীকে মারধর করত এবং তাকে খুন করে ফেলার হুমকি দিত ।

এছাড়াও এ বিরোধের জের ধরে এক সময়ে শ্বশুর দিল মুহাম্মদ, ন্ত্রী নুরুন্নাহার ও নুরুন্নহারের বড় বোন নুর বাহারকে দা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে আমিন।

এ ঘটনার জের ধরে ছোট বোনের স্বামী মোহাম্মদ আমিন, তার বোন ও ছেলেদের হত্যা করার পরিকল্পনায় অংশ নেয় নুর বাহারের ভাই আবদু শুক্কুর, আবদুল মোন্নাফ ও নুর আমিন।

গত ২৮ মে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারলো দা ও কুড়াল দিয়ে রাত ৮টার দিকে মোহাম্মদ আমিন, তার বড় বোন বেগম বাহার, আমিনের প্রথম ন্ত্রীর সন্তান জোনায়েদ ও বেগম বাহারের চার বছরের সন্তান মো. ইলিয়াসকে কুপিয়ে হত্যা করে।

বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, আমরা এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনবো।

সৈকত দাশ/এসএইচএস/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।