শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে পারাপারের অপেক্ষায় ৫ শতাধিক যানবাহন
মুন্সীগঞ্জ লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ৫ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। তবে পদ্মার তীব্র স্রোত উপেক্ষা করে ১৭টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার স্বাভাবিক রেখেছে বিআইডব্লিটিসি কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের বাড়তি চাপ বৃদ্ধি বেড়েছে।
মাওয়া বিআইডব্লিটিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক মো. সিফাত জানান, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে ৫/৬ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। ইতিমধ্যে একটি রো রো ও কে টাইপ ফেরি যুক্ত হয়ে মোট ১৭টি ফেরির মাধ্যমে যানবাহন পারাপার হচ্ছে। তবে এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যাই বেশি এবং খালি ট্রাকগুলোকে কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে কুরবানির গরু আনার জন্য আগে যেতে দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পদ্মার তীব্র স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল একটু ব্যহত হচ্ছে। তবে আমাদের পর্যাপ্ত ফেরি রয়েছে। ঘরমুখো মানুষের কোনো সমস্যা হবে না।
এদিকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা সেতুতে ঢাকামুখী যানবাহন ধীর গতিতে পারাপার হওয়ায় প্রায় ৭ কি. মি. এলাকায় যানজট সৃষ্টি হয়েছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে।
ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাইফুর রহমান মজুমদার জানান, মেঘনা সেতুর টোল আদায়ে দীর্ঘ সময়ের কারণে সকাল থেকে ধীরগতিতে মেঘনা সেতু দিয়ে গাড়ি পারাপার হচ্ছে। এর ফলে সেতু থেকে ভবেরচর পর্যন্ত প্রায় ৬/৭ কি. মি. এলাকায় যানবাহনের চাপ রয়েছে।
ভবতোষ চৌধুরী নুপুর/আরএআর/পিআর