সাতক্ষীরায় আ.লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি মামলা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: ০৩:০০ পিএম, ২৬ নভেম্বর ২০১৭

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একশ’ জনের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপনের পক্ষে পৌর সদরের তুলসীডাঙ্গা গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে মশিয়ার রহমান বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টু, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি কাজী আসাদুজ্জামান সাহাজাদা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান স ম মোরশেদ আলী, ভুট্টো লাল গাইন, এমএ কালাম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান লাভলু, উপজেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিকলীগের সভাপতি রুবেল মল্লিকসহ ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞত ৪০/৫০ জনের নামে মামলা করেন।

অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম লাল্টুর পক্ষে পৌর সদরের মুরারীকাটি গ্রামের সামসুর রহমানের ছেলে রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরাফাত হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও কয়লা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ইমরান হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম, মাস্টার নুরুল ইসলাম, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আশিকুর রহমান মুন্না, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান আসাদ, জোনাকি হল মালিক জাহাঙ্গীর কবির বাবলু, আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আযমসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৪০/৫০ জনের নামে পৃথক আরেকটি মামলা করেন।

কলারোয়া থানা পুলিশের ওসি বিপ্লব কুমার নাথ পাল্টাপাল্টি মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জাগো নিউজকে বলেন, শনিবার ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃতি লাভ করায় সরকারিভাবে সারাদেশের মতো কলারোয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা পালিত হয়।

এ সময় অাধিপত্য বিস্তার ও অনুষ্ঠানে চেয়ার না দেয়ায় কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম লাল্টুর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

কয়েক দফায় হামলা-পাল্টা হামলা চালায় উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীরা। এমনকি থানার অভ্যন্তরেও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের দুই এএসআই ও তিন কনস্টেবলসহ ৫ জন আহত হয়।

পরবর্তীতে রোববার আওয়ামী লীগের উভয় পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা হয়। মামলা দুটি কলারোয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) সোলায়মান তদন্ত করছেন।

আকরামুল ইসলাম/এএম/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :