চাঁদপুরে ৮৯৩৯ পরীক্ষার্থী পেল জিপিএ-৫
চাঁদপুরে প্রাথমিক সমাপনীতে পাসের হার ৯৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। আর ইবতেদায়িতে পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৭ শতাংশ। জেলার ৮ উপজেলায় এবার প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ৪৬ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮৯২৯ জন।
এছাড়া ‘এ’ গ্রেড পেয়েছে ২০ হাজার ৪৬৭ জন, (এ-) পেয়েছে ৭ হাজার ৩১৬ জন, (বি) পেয়েছে ৪ হাজার ৯৪৪ জন, (সি) পেয়েছে ৪ হাজার ১২৫ জন, (ডি) পেয়েছে ৪৯৯ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ১৭ শতাংশ।
এদিকে, সদর উপজেলায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৬৮২ জন। পাস করেছে ৮ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৭৩১ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।
কচুয়া উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ হাজার ২৪৫। পাস করেছে ৭ হাজার ২১৮ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৫০৫ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ।
হাজীগঞ্জ উপজেলায় মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৭১৩ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৬ হাজার ৬৩৪ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৫৭২ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮২ শতাংশ ভাগ।
হাইমচর উপজেলায় মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৭৯ জন। পাস করেছে ২ হাজার ৭৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩৩ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৯০ শতাংশ।
শাহারাস্তি উপজেলায় মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ১৯২ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৪ হাজার ১১৬ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৮১০ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।
ফরিদগঞ্জ উপজেলায় পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মোট ৭ হাজার ৬৮৩ জন। পাস করেছে ৭ হাজার ৬২৫ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৪৫৮ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ২৫ শতাংশ।
মতলব দক্ষিণ উপজেলায় মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ হাজার ৮৫৩ জন। পাস করেছে ৩ হাজার ৮০৯ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৪১ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
মতলব উত্তর উপজেলায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মোট ৬ হাজার ২৩২ জন। পাস করেছে ৬ হাজার ১২৩ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭৭৯ জন। পাসের হার ৯৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।
জেলায় এ বছর ইবতেদায়ি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ৫ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৫ জন। (এ’) পেয়েছে ১ হাজার ৩৪০ জন, (এ-) পেয়েছে ১ হাজার ১৯৮ জন, (বি) পেয়েছে ১ হাজার ১৯৬ জন, (সি) পেয়েছে ১ হাজার ৪৮৯ জন ও (ডি) পেয়েছে ২৯৭ জন। মোট পাস করেছে ৫ হাজার ৫৮৫ জন। পাসের হার ৯৪ দশমিক ১৭ শতাংশ।
ইকরাম চৌধুরী/এএম/আরআইপি