চার ‘অস্ত্রধারী’কে গণধোলাই

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি খাগড়াছড়ি
প্রকাশিত: ০১:১১ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৮ | আপডেট: ০১:৩৯ এএম, ২১ জানুয়ারি ২০১৮
চার ‘অস্ত্রধারী’কে গণধোলাই

পার্বত্য খাগড়াছড়িতে চাঁদা নিতে এসে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিরোধের মুখে পড়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) অস্ত্রধারী চার সদস্য। একপর্যায়ে গণধোলাইয়ের শিকার হন তারা। খবর পেয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হাত থেকে তাদের উদ্ধার করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। শনিবার বিকেল সেয়া ৪টার দিকে পুনর্বাসন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফ সদস্যরা স্থানীয়দের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছে। ঘটনার দিন শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে অস্ত্র নিয়ে তারা খাগড়াছড়ির আলুটিলা পুনর্বাসন এলাকায় দাবি করা চাঁদার জন্য আসে। এসময় চাঁদা পরিশোধ না করায় স্থানীয়দের মারধর করে তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের ধাওয়া দেয়। এসময় উত্তেজিত জনতা চার অস্ত্রধারীকে আটক করে গণধোলাই দেয়। তবে অপর দুই সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

kagra-2-vআটক চারজন হলেন, দীঘিনালার বাবুছড়া মগ্যা ক্যাঙবাড়ি পাড়ার রূপক বড়ুয়া (৪৫), মহালছড়ির লেমুছড়ির রবিজয় চাকমা (৩৫), খাগড়াছড়ি সদরের হরিনাথ পাড়ার অনুপম চাকমা প্রকাশ আশানিয়া (৩৬) ও মিশন ত্রিপুরা (৩৫)। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি দেশীয় পিস্তল (এলজি টাইপ), পিস্তলের কার্তুজ দশটি, বন্দুকের গুলি চারটি, চাকু একটিসহ ইউপিডিএফ‘র চাঁদা আদায়ের রশিদ এবং নগদ ১২ হাজার চারশ’ ৬৫ টাকা উদ্ধার করা হয়।

এদের মধ্যে একজন গেল ৭ জানুয়ারি ইউপিডিএফ’র অবরোধ চলাকালে খাগড়াছড়ি আলুটিলায় বিজিবির দক্ষিণ-পূর্ব রিজিয়নের ভারপ্রাপ্ত রিজিয়ন কমান্ডার কর্নেল মো. আনিসুর রহমানের গাড়িবহরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে খাগড়াছড়ি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে গণধোলাইয়ের শিকারদের খাগড়াছড়ি জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

জেডএ