আবারও আবদুল হামিদ রাষ্ট্রপতি, কিশোরগঞ্জে আনন্দের বন্যা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৪:৩৯ পিএম, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

দ্বিতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন মো. আবদুল হামিদ। জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তার দ্বিতীয় মেয়াদে শপথ নেয়া এখন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

এ খবরে কিশোরগঞ্জে বইছে আনন্দের বন্যা। রাষ্ট্রপতি হিসেবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে জেলা বারের আইনজীবীরা। উচ্ছ্বাস ভরা হাসি নিয়ে একে-অপরকে মিষ্টি খাইয়ে দিচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা আইনজীবী সমিতি আনন্দ মিছিল বের করে। আইনজীবীদের মিছিলটি বিভিন্ন এলাকা ঘুরে আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করে।

এতে বক্তব্য দেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুল আহসান শাহজাহান, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম এ আফজাল, জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক, জিপি অ্যাডভোকেট বিজয় শংকর রায়, জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ রশীদ, প্রবীণ আইনজীবী যজ্ঞেশ্বর রায়, অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম, জেলা আওয়ামী আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শাহজাহান ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাসিরুল ইসলাম চুন্নু প্রমুখ। এ সময় একে-অপরকে মিষ্টি খাইয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে আইনজীবীরা।

কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট শাহ আজিজুল হক বলেন, রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ আমাদের গর্বের ধন। শুধু কিশোরগঞ্জ নয়, তিনি দেশের অমূল্য সম্পদ। দেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি পরপর দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এ জন্য আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্যে আনন্দের শেষ নেই।

উল্লেখ্য, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এতে দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তিনি।

গতকাল বুধবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডে সর্বসম্মতভাবে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেয়া হয়। সাত বার নির্বাচিত এমপি আবদুল হামিদ কিশোরগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির ৫ বার নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের জন্ম ১৯৪৪ সালের ১ জানুয়ারি, কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কামালপুর গ্রামে। বঙ্গভবনের বাসিন্দা হওয়ার পরও নিজেকে হাওরের মানুষ বলে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তিনি।

নূর মোহাম্মদ/এএম/জেআইএম