অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর ৫ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিজিপি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৪:৫৩ পিএম, ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
অপহরণের ৬ ঘণ্টা পর ৫ বাংলাদেশিকে ফেরত দিল বিজিপি

নাফ নদে মাছ শিকাররত বাংলাদেশি জেলেদের ওপর গুলিবর্ষণ করে ৫ জেলেকে অপহরণের ৬ ঘণ্টার মাথায় ফেরত দিয়েছে মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিজিপি)।

শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় এ গুলিবর্ষণ ও অপহরণের ঘটনা ঘটে। আর বেলা আড়াইটার দিকে একই এলাকা দিয়ে তাদের ফেরত দেয় বিজিপি।

গুলিবর্ষণের ঘটনায় এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। টেকনাফ বিজিবি-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অপহরণের পর ফেরত আসারা হলেন- কাঞ্জরপাড়ার আব্দুল গফুরের ছেলে আজিজুল্লাহ, মৃত আব্দুল শুক্কুরের ছেলে ইয়ার মোহাম্মদ, মৃত নুরুল আলমের ছেলে শাহ আলম, আব্বাসের ছেলে মো. রফিক ও আব্দুল জলিলের ছেলে পেটান আলী। আর গুলিবিদ্ধ জেলে নুরুল ইসলাম (৩৫) হোয়াইকং কাঞ্জরপাড়ার ফকির মোহাম্মদের ছেলে।

হোয়াইক্যং ইউনিয়নের স্থানীয় সদস্য আব্দুল গাফ্ফার জানায়, শনিবার সকালে টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জরপাড়া সংলগ্ন নাফ নদে একদল বাংলাদেশি জেলে মাছ শিকার করছিল।

হঠাৎ মিয়ানমার বিজিপি শীলখালী ক্যাম্পের বিশেষ টহলদল স্পিডবোট নিয়ে এসে বাংলাদেশি জেলেদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় জাল নিয়ে মাছ ধরারত কাঞ্জর পাড়ার নুরুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন।

গুলি করে চলে যাওয়ার সময় বিজিপি সদস্যরা ৫ জেলেকে নৌকাসহ ধরে নিয়ে যায়। আর গুলিবিদ্ধ জেলে নুরুকে অন্য জেলেরা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কাঞ্জরপাড়া বাজারে আনে। সেখান থেকে তাকে কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের হাসপাতালে নেয়া হয়।

টেকনাফ-২ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল এসএম আরিফুল ইসলাম জানান, নাফ নদে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও জেলেরা চুরি করে জলসীমা অতিক্রম করায় এ ঘটনা ঘটে।

এরপরও খবর পেয়ে অপহৃত জেলেদের ফিরিয়ে আনতে বিজিপির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি ও বিজিপির মাঝে সমন্বয় শেষে বেলা আড়াইটার দিকে আজিজুল্লাহ, ইয়ার মাহমুদ, শাহ আলম, মো. রফিক ও পেটান আলীকে ছেড়ে দেয়া হয়।

সায়ীদ আলমগীর/এএম/জেআইএম