পরিবারের কর্তা আটক হলে স্ত্রী-সন্তানরা দুর্দশায় থাকে

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৮:০০ পিএম, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

মাদক ও অপরাধ, পরিবার এবং সমাজে ধ্বংস ডেকে আনে উল্লেখ করে হাজতিদের উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের জেলা জজ মীর শফিকুল আলম বলেছেন, টাকার লোভে পড়ে অনেকেই মাদক বহন করে। এতে একটি সুন্দর পরিবারে সুখের বদলে অশান্তি ও ধ্বংস নেমে আসে। পরিবারের কর্তা আটক হলে স্ত্রী সন্তানদের জীবনে নেমে আসে করুন দুর্দশা। তাই ছাড়া পাওয়ার পর মাদকসহ যে কোনো ধরনের অপরাধ থেকে দূরে থাকার শিক্ষা বন্দি জীবন থেকে নিতে হবে।

শনিবার কক্সবাজার জেলা কারাগারে কারাবন্দিদের মধ্যে আইনগত সহায়তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জজ এসব কথা বলেন।

জেলা জজ বলেন, অসহায় কারাবন্দিদের আইনি সহায়তা ও দুস্থ নাগরিকদের পাশে দাঁড়ানো সংশ্লিষ্ট সবার নৈতিক দায়িত্ব। কারাগারে অনেক অসহায় বন্দি আছেন যাদের স্বজনদের খোঁজ মিলে না। তাদের খুঁজে বের করে এসব বন্দিদের জন্য কাজ করা দরকার। মাদক নিয়ে আটকদের মধ্যে এ প্রবণতা বেশি দেখা মিলছে। তাই হাজতিদের ছাড়া পাওয়ার পর মাদকসহ যে কোনো ধরনের অপরাধ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেন তিনি।

অতিরিক্ত জেলা ম্যজিস্ট্রেট খালেদ মাহমুদের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র সহকারী জজ, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার তাওহিদা আকতারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেল সুপার বজলুর রশিদ আখন্দ।

বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ওসমান গনি, অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোশারফ হোসেন, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল আমিন, পিপি মমতাজ উদ্দিন আহমদ, সিভিল সার্জন অফিসের প্রতিনিধি ডা. মহি উদ্দিন আলমগীর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল কুদ্দুস তালুকদার, জেলা বারের সভাপতি মোহাম্মদ ইছহাক, সাধারণ সম্পাদক জিয়া উদ্দিন জিয়া, লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য অ্যঅডভোকেট আবুল কালাম, রেজাউর রহমান প্রমুখ।

সায়ীদ আলমগীর/এমএএস/আরআইপি

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।