ভোটে হেরে কলেজে ভাঙচুর, মালামাল ছিনতাই
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার জনতা ডিগ্রি কলেজের অভিভাবক সদস্যদের ভোটে হেরে কলেজে ভাঙচুর চালিয়েছেন এক পরাজিত প্রার্থী। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
রোববার ওই কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির অভিভাবক সদস্য পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কলেজের অভিভাবক ভোটার ১ হাজার ২০৯ জনের মধ্যে ভোট দেন ৬৬৫ জন। এতে প্রার্থী আব্দুল মজিদ (৪৮২), শফিকুল ইসলাম (৪৫৩), আনিছুর রহমান (৩৮৩) ও হামিদুল ইসলাম (৩৬৫) ভোট পান।
নির্বাচনে হামিদুল ইসলাম হেরে গিয়ে সন্ধ্যায় কলেজের অধ্যক্ষের রুমে ৫০/৪০ জনকে নিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে কলেজের ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও স্ক্যানিং মেশিন ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
এ ব্যাপারে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফতাব হোসেন ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোফাখারুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় দুইটি অভিযোগ করেন।
জনতা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফতাব হোসেন বলেন, পরাজিত প্রার্থী হামিদুল ইসলাম ৪০/৫০ জন নিয়ে কলেজে হামলা চালায়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
ব্যবস্থপনা কমিটির সদস্য মোফাখারুল ইসলাম বলেন, হামিদুল ইসলাম অভিভাবক সদস্য পদে হেরে আমার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। সেইসঙ্গে কলেজে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে জিনিসপত্র নিয়ে যায়। বিষয়টি পুলিশকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
জানতে চাইলে পরাজিত প্রার্থী হামিদুল ইসলাম বলেন, কলেজের হেরে যাওয়ার পর আমার সমর্থকরা গন্ডগোল করলে আমি সেখানে গিয়ে বাধা দিই।
সোমবার দুপুরে সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, ডিমলা থানা পুলিশের ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, ওসি (তদন্ত) মফিজ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। কলেজের ব্যবস্থপনা কমিটিতে হেরে কলেজে ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
জাহেদুল ইসলাম/এএম/পিআর