ফসল বাঁচাতে স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি গ্রামবাসীর
প্রায় দেড় হাজার একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল রক্ষা করতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী ইউনিয়নের আব্দুল্লাহরপাড়া গ্রামে একটি স্লুইসগেট নির্মাণের দাবি করেছেন গ্রামবাসী।
কেন, না প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে বাঙ্গালী নদীর পানি একটি নালা দিয়ে প্রবেশ করে ক্ষয়ক্ষতি হয় ফসলের। তাই ফসল বাঁচাতে আব্দুল্লাহরপাড়া গ্রামে আহসান হাবীব সুজার খামার সংলগ্ন পুরোনো সেঁতুস্থানে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, আব্দুল্লাহরপাড়া গ্রামে আহসান হাবীব সুজার খামার সংলগ্ন একটি সেঁতু রয়েছে। সেঁতুটির দুইপাশের রাস্তা দেবে গেছে অনেকদিন আগেই। ফলে যাতায়াত করতে মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। প্রতিদিন এই সেঁতুটির উপর দিয়ে তিন হাজারেরও বেশি মানুষ সাঘাটা উপজেলা শহর ও জুমারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদসহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচল করে। সেখানে চারপাশে ধানের জমিসহ বিভিন্ন শাকসবজির ক্ষেত রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, প্রতি বর্ষা মৌসুমে পার্শ্ববর্তী বারকোনা বাজার সংলগ্ন বাঙ্গালী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে এই সেঁতুটির নিচের নালা দিয়ে পানি প্রবেশ করে আব্দুল্লাহরপাড়া, আমদিরপাড়া, বাদিনারপাড়া ও দেওরের গ্রামের প্রায় দেড় হাজার একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল ও শাকসবজির ক্ষেত নষ্ট হয়ে যায়।

আর তাই কৃষকদের এই ক্ষতির মুখ থেকে বাঁচাতে আহসান হাবীব সুজার খামার সংলগ্ন পুরোনো সেঁতুটি ভেঙে দিয়ে একইস্থানে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করা প্রয়োজন। তাহলে মানুষ প্রতিবছর বর্ষাকালে এই বিরাট ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে।
আব্দুল্লাহরপাড়া গ্রামের ইউপি সদস্য আবদুল ছাত্তার প্রধান বলেন, ওইস্থানে একটি স্লুইসগেট নির্মাণ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। স্লুইসগেটটি নির্মাণ করা হলে বর্ষাকালে প্রায় দেড় হাজার একর জমির ধানসহ অন্যান্য কৃষি শস্য ও শাকসবজির ক্ষেত বিনষ্টের হাত থেকে রক্ষা পাবে।
স্লুইসগেট নির্মাণ করা প্রসঙ্গে সাঘাটা উপজেলা প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম মুঠোফোনে জাগো নিউজকে বলেন, আমাদের স্লুইস গেট নির্মাণের প্রকল্প রয়েছে। ওখানে যদি একটি স্লুইস গেটের প্রয়োজন থাকে তাহলে স্থানীয়রা আমার কাছে আবেদন করুক। পরে সরেজমিনে গিয়ে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রওশন আলম পাপুল/এমএএস/জেআইএম