পাহাড়ে সমৃদ্ধির দুয়ার খুলে যাবে : নৌমন্ত্রী
খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু চালু হলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে উল্লেখ করে নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, রামগড়ে স্থলবন্দর চালু হলে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাহাড়ে সমৃদ্ধির দুয়ার খুলে যাবে। এখানে কিভাবে আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যায় সে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, ফেনী নদীর ওপর ভারতের অর্থায়নে নির্মাণাধীন মৈত্রী সেতুর কাজ শেষ হলে বাংলাদেশ অংশে সংযোগ সড়ক ও অন্যান্য কাজ শুরু হবে।
শনিবার বেলা ১১টার দিকে খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন নৌমন্ত্রী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ভারত প্রত্যাগত শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজুরী চৌধুরী, খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক মো. রাশেদুল ইসলাম, খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মো. আলী আহমেদ খান, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নির্মলেন্দু চৌধুরী, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র মো. শামছুল হক ও মানিকছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ম্রাগ্য মারমা প্রমুখ।

পরে রামগড়ে বিজয়স্তম্ভের সামনে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌমন্ত্রী আগামী নির্বাচনের জন্য নেতাকর্মীদের তৈরি হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় আওয়ামী লীগকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে।
রামগড় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মোস্তফার সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন- কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজুরী চৌধুরী, জেলা আওয়ামী লীগের যুব বিষয়ক সম্পাদক মংশেপ্রু চৌধুরী অপু ও পার্থ ত্রিপুরা জুয়েল প্রমুখ।
এর আগে চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রামগড়ে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু-১ নির্মাণ এলাকা পরিদর্শন করেন।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/এএম/জেআইএম