খাগড়াছড়িতে ১৫ জেএমবি সদস্যের সাজা
খাগড়াছড়িতে সিরিজ বোমা হামলার মামলায় ১৫ জেএমবি সদস্যকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ রত্নেশ্বর ভট্টাচার্য বিস্ফোরক দ্রব্য আইন-১৯০৮ সালের ৩/৪/৬ ধারায় এ রায় দেন।
আদালত আবুল কালাম আজাদ নামে এক আসামিকে খালাস দিয়েছেন। এ মামলায় বেলাল হোসেন নামে এক আসামি পলাতক রয়েছেন।
আদালত মো. আরিফুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. রুহুল আমিন, মো. করিম আলী, মো. ইসমাইল হোসেন জমাদ্দার, মো. মঞ্জু মিয়া, রুহুল আমিন সুফীকে বিস্ফোরক দ্রব্য আইন- ১৯০৮ এর ৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। একই আইনের ৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
মামলার অপর আসামি এরশাদ ওরফে সাকিব খান, মো. বেলাল মিয়া, মো. হাফেজ মো. হাসান আল মাহমুদ, মো. আসাদুজ্জামান, মো. এমদাদুল হক, মো. ফারুক হোসেন, মো. এনায়েত উল্লাহ, আবুজরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩ ও ৬ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিধান কানুনগো বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট খাগড়াছড়ির আদালত প্রাঙ্গণ, এডিএম কোর্ট প্রাঙ্গণ ও শাপলা চত্বরের মুক্ত মঞ্চে একযোগে সিরিজ বোমা হামলা করে নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবি। এ হামলায় তিনজন আহত হয়। খাগড়াছড়ি সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার ১৫ জন রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এ রায় দেন।
মুজিবুর রহমান ভুইয়া/আরএআর/এমএস