৫ বছরে খোঁজ রাখেনি কেউ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ
প্রকাশিত: ১১:১৮ এএম, ০৪ মে ২০১৮

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সলঙ্গা থানা সদর থেকে ভূইয়াগাতী পর্যন্ত ৮.৩১ কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। রাস্তাটির অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং উঠে এমন খানাখন্দে পরিণত হয়েছে যে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। ঝুঁকিপূর্ণ এ রাস্তায় যাত্রী ও মালামাল বহনকারী যানবহন উল্টে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। স্থানীয়দের অভিযোগ ৫ বছর ধরে সড়কটির একই অবস্থা থাকলেও কেউ খোঁজ রাখেনি।

জানা যায়, সলঙ্গা-ভূইয়াগাতী আঞ্চলিক সড়কটি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ। সলঙ্গা থানা সদরের হাটটি উত্তরবঙ্গের বৃহৎ হাট।১৯২২ সালের ২৭শে জানুয়ারি বিলেতি পণ্য বর্জনে এই সলঙ্গাতেই সংঘটিত হয়েছিল মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে ঐতিহাসিক রক্তাক্ত সলঙ্গা বিদ্রোহ। এছাড়াও সলঙ্গা থানা সদরে রয়েছে একটি অনার্স কলেজ, মহিলা কলেজ, ফাজিল মাদরাসা, মহিলা মাদরাসা, সলঙ্গা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সলঙ্গা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।

রাস্তার এ বেহালদশা নিয়ে কথা বলতে গেলে খোদ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানই রাস্তাটিকে চলাচলের অযোগ্য বলে মন্তব্য করেন। সেইসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় জনসাধারণ।

Sirajgonj

ঘুড়কা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জিল্লুর রহমান সরকার বলেন, উপজেলা সড়ক নামে পরিচিত ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ভূঁইয়াগাতী থেকে সলঙ্গা থানা সদর পর্যন্ত ৮.৩১ কিলোমিটার রাস্তাটির মধ্যে ২১০০ মিটার রাস্তা বাদে অবশিষ্ট রাস্তা পাকা করা হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবৎ সংস্কার না করায় একেবারেই চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে রাস্তাটি।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. দেলোয়ার হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জনপ্রতিনিধিরা কেবল ভোটের সময়ই জনগণের কাছে আসেন। কিন্তু বিগত ৫ বছর ধরে রাস্তাটি এই অবস্থায় থাকলেও কেউ খবর নেয়নি।

রায়গঞ্জ উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) উপজেলা প্রকৌশলী এম.এ. আব্দুর বাসেত জানান, এ বিষয়ে তারা অবগত। তারা রাস্তাটি দ্রুত সংষ্কারের চেষ্টা করছেন বলেও জানান।

ইউসুফ দেওয়ান রাজু/এফএ/এমএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।