ঢাকা-চট্টগ্রাম
নারায়ণগঞ্জ অংশে ফাঁকা মহাসড়কে স্বস্তির ঈদযাত্রা
ঈদকে ঘিরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশ যানবাহনের বাড়তি চাপ থাকলেও যানচলাচল একেবারে স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে স্বস্তিতে গন্তব্যে ফিরতে পারছেন যাত্রীরা।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত মহাসড়কের সাইনবোর্ড, সানারপাড়, মৌচাক চিটাগংরোড ও কাঁচপুর এলাকার বাসস্ট্যান্ডগুলো ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাসস্ট্যান্ডগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। যাত্রী সেবায় নিয়োজিত যানবাহনগুলোত কিছুক্ষণ পর পর স্ট্যান্ডে পৌঁছে যাত্রীদের নিয়ে ছুটে যেতে দেখা যাচ্ছে। মহাসড়কে তুলনামূলক গাড়ির বাড়তি চাপ থাকলেও কোনো যানজট নেই। সড়ক প্রায় ফাঁকা থাকায় পরিবার নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে বাড়ি ফিরতে পারছেন মানুষজন।

সাইনবোর্ডে টিকিট কাউন্টারে কর্মরত শাওন নামের একজন স্টাফ বলেন, ‘যাত্রীর অনেক চাপ রয়েছে। আমরা টিকিট দিতে হিমশিম খাচ্ছি। তবে অতিরিক্ত কোনো ভাড়া আদায় হচ্ছে না। যদি বাড়তি ভাড়া নেয়ও, সেগুলো লোকাল গাড়ি।’
শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে আমাদের শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে ৪২ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি। মানুষের জানমাল নিরাপত্তায় আমাদের কোনো ধরনের গাফিলতি নেই।
মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা থেকে ৮২ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ থানার ইনচার্জ শ্রী কৃষ্ণপদ। তিনি বলেন, মহাসড়ক ফাঁকা রয়েছে। সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি যাচ্ছে।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বারিক বলেন, জনগণের জানমাল হেফাজতের জন্য থানা থেকে আমাদের পাঁচটি টিম মহাসড়কে কাজ করছে।
র্যাব-১১ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের চলাচল সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ককের আটটি পয়েন্টে প্যাট্রোল টিম কাজ করছে। শুধু তাই নয়, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেকপোস্টও বসানো হয়েছে। মানুষের নিরাপত্তায় সর্বদা র্যাবের সদস্যরা মাঠে আছেন।
মো. আকাশ/এসআর/এএসএম