চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন সম্পাদক রামভজন

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি মৌলভীবাজার
প্রকাশিত: ০৯:০৪ পিএম, ২৫ জুন ২০১৮

দেশের সর্ববৃহৎ শ্রমিক সংগঠন বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে মাখনলাল কর্মকার সভাপতি ও রামভজন কৈরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন কমিশনের কমিশনার শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) শিবনাথ রায় স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশের ২০টি উপজেলার ৭টি ভ্যালির ২২৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, দেশের ৫ জেলার ২০টি উপজেলার ২২৮টি চা-বাগানের ৭টি ভ্যালিতে এ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২২৮টি কেন্দ্রে ৩৪৩টি বুথ ছিল। বাগান ও ফাঁড়ি বাগানের মোট ৯৮ হাজার ৭৫২ জন চা-শ্রমিকের মধ্যে ৯৪ হাজার ৩৩২ জন শ্রমিক নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্বাচনে ৫৩৬টি পঞ্চায়েত প্যানেলের মধ্যে ৩৫টি একক প্যানেল অংশগ্রহণ করে। এতে অংশগ্রহণ করেনি ৫টি প্যানেল। ফলে ৫০১টি প্যানেলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। যার মধ্যে মৌলভীবাজার জেলায় ১২৫টি কেন্দ্রে ভোট হয়।

এতে কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সভাপতিমন্ডলীর প্যানেলে দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে মাখনলাল কর্মকার ৫১ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শ্রী ধনী কুর্মী পেয়েছেন ২০ হাজার ২৮৩ ভোট।

পাশাপাশি সম্পাদকমন্ডলীর প্যানেলে ফুটবল প্রতীক নিয়ে রামভজন কৈরী ৬১ হাজার ২১৫ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহাসংগ্রাম কমিটির প্রার্থী গীতা রানী কানু পান ১৪ হাজার ৩০ ভোট।

এছাড়া ৭টি ভ্যালি কার্যকরী পরিষদ নির্বাচনে বালিশিরা ভ্যালি সভাপতি বিজয় হাজরা, মনু-ধলই ভ্যালি সভাপতি ধনা বাউড়ী, লংলা ভ্যালি সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, লস্করপুর ভ্যালি সভাপতি রবীন্দ্র গৌড়, জুড়ী ভ্যালি সভাপতি কমল বোনার্জী, সিলেট ভ্যালি সভাপতি রাজু গোয়ালা ও চট্টগ্রাম ভ্যালি সভাপতি নিরঞ্জন নাথ নির্বাচিত হন।

রিপন দে/এএম/পিআর

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।