সড়কের মাঝে বাঁশের সাঁকো

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝিনাইদহ
প্রকাশিত: ১১:৩৬ এএম, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌরসভায় সড়কের মাঝখানে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে চালু রাখা হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। একটি ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ সড়ক ধরে প্রতিদিন যাতায়াত করে আসছেন। ভেঙে যাওয়ার তিন বছরেও সড়কটি মেরামত না হওয়ায় সাঁকোই এখন ভরসা।

জানা গেছ, তিন বছর আগে জামসেদপুরের এ সড়কটি অতি বৃষ্টিতে ৩০-৪০ ফুট ভেঙে খালে বিলীন হয়ে যায়। পরে স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো বানিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করেছেন এলাকার ভ্যানচালক শ্রমিকরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌর এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দিয়ে ৩নং দিগনগর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার চাষিরা কৃষিপণ্য নিয়ে বাজারে যাতায়াত করেন। এছাড়া এ সড়কটি নিরিবিলি হওয়ায় এ পথ ধরে শেখপাড়া ও গাড়াগঞ্জ এলাকায় মহাসড়কে যাতায়াত করেন এলাকাবাসী।

কিন্তু মাঝেমধ্যেই সাঁকো ভেঙে পড়ে অনেকেই গুরুতর আহত হচ্ছেন বলে জানা গেছে। তিন বছরেও পৌর এলাকার জামশেদপুরের এ সড়কটি মেরামত না হওয়ায় হাতাশা প্রকাশ করেছেন পৌর বাসিন্দারা।

জামশেদপুর গ্রামের বাসিন্দা জামাল হোসেন জানান, বেশ কয়েক বছর হলো এ সড়কটি ভেঙে গেছে। এলাকার ভ্যানচালকরা পেটের দায়ে গ্রামবাসীর কাছ থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে সাঁকো বানিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করেছেন। পরে পৌরসভা থেকে এ সড়কটি আর মেরামত করা হয়নি।

পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নাজিমউদ্দিন জানান, পাশেই বিকল্প সড়কে খালের উপর কয়েক বছর আগে একটি ব্রিজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা বন্ধ ছিল। তবে আশা করা হচ্ছে এ ব্রিজটির নির্মাণকাজ দ্রুতই শুরু হবে। নতুন ব্রিজ হবে এ কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কটি আর মেরামত করা হয়নি।

তিনি আরো জানান, সড়কের সঙ্গেই গভীর একটি খাল থাকাই বৃষ্টিতে এটি ভেঙে যায়। এ কারণে বিকল্প সড়কে ব্রিজ নির্মাণের চিন্তাভাবনা করছে পৌরসভা।

পৌরসভার মেয়র কাজী আশরাফুল আজম বলেন, বৃষ্টি হলেই জামশেদপুরের এ সড়কটি ভেঙে যায়। এ কারণে বিকল্প সড়কে একটি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। নদীর পানি কমলেই ব্রিজের কাজ শুরু হবে। নির্মাণ শেষ হলে এলাকাবাসীর আর যাতায়াতের সমস্যা থাকবে না।

আহমেদ নাসিম আনসারী/এফএ/জেআইএম

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।