স্বজনের আত্মার শান্তিতে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি
১৪ বছর পর আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলার মামলার রায় আজ ঘোষণা হতে যাচ্ছে। এ রায়ে অপরাধীদের যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি হয় সেই দাবি জানিয়েছেন গ্রেনেড হামলায় নিহত চাঁদপুরের মতলবের আতিক ও হাইমচরের স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কুদ্দুছের পরিবার।
রায়ের অপেক্ষায় এতদিন তারা চাপাকষ্টে বুক ভাসিয়েছেন। আজ রায় হবে জেনে পরিবার দুটির মাঝে আবারও স্বজন হারানোর বেদনা জেগে উঠেছে। তাদের ভাষ্য, প্রকৃত দোষীরা শাস্তি পেলে নিহতদের আত্মা শান্তি পাবে।
রায়ের অপেক্ষায় থাকা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা নিহত আব্দুল কুদ্দুস পাটওয়ারীর মা আমেনা বেগম আর রায় দেখে যেতে পারেননি। তবে মৃত্যুর আগেও দাবি জানিয়ে গেছেন এ ঘটনা যারা ঘটিয়েছে তাদের যেন ফাঁসি হয়।
নিহত কুদ্দুছের ভাই হুমায়ুন পাটওয়ারী জাগো নিউজকে জানান, আজ রায় হবে। কিছুটা হলেও ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার হচ্ছে। তবে আমরা এ হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। যেন বাংলার মাটিতে এ ধরনের হামলার শিকার কারো না হতে হয়।
একই হামলায় নিহত হন মতলব উত্তরের আওয়ামী লীগ কর্মী আতিক উল্যাহ সরকার। আতিকের স্ত্রী লাইলী বেগম দীর্ঘ ১৪ বছর চার সন্তান নিয়ে স্বামী হত্যার বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন। আজ অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি হলে তার স্বামীর আত্মা শান্তি পাবে বলে জানান তিনি।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় মহিলা বিষয়ক সভানেত্রী আইভি রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন। আহত হন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অধিকতর তদন্ত শেষে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, হুজি নেতা মুফতি হান্নান, সাবেক মন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু ও লুৎফুরুজ্জামান বাবরসহ ৫২ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘ বিচারকাজ শেষে আজ এ মামলার রায় ঘোষণা হবে।
ইকরাম চৌধুরী/এফএ/পিআর