পাঙ্গাশ আর তেলাপিয়াতেই ভরসা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি পিরোজপুর
প্রকাশিত: ০১:৪৮ পিএম, ১৩ অক্টোবর ২০১৮

মা-ইলিশ সংরক্ষণে সারাদেশে নদ-নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় পিরোজপুরের ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভরসা এখন ঘেরের পাঙ্গাশ আর তেলাপিয়া।

পিরোজপুর সদর, স্বরূপকাঠি, কাউখালী, ভান্ডারিয়া, ইন্দুরকানী, মঠবাড়িয়ার বিভিন্ন হাট-বাজার ও দক্ষিণাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম পিরোজপুরের পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরে গিয়ে দেখা যায়, সাগর ও নদীর ইলিশসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ এখানে নেই বললেই চলে। তাই ক্রেতাদের একমাত্র ভরসা ঘেরে চাষ করা পাঙ্গাশ, তেলাপিয়া, রুই ও কাতলা।

pirojpur-Fish

জানা গেছে, সরকারের নির্দেশ মেনে গত ৭ অক্টোবর রাতেই গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরা বন্ধ করে ঘাটে ফিরে আসে জেলার পাড়েরহাট, ইন্দুরকানী, ভান্ডারিয়া, মঠবাড়িয়ার মৎস্যজীবীরা। শুধু সমুদ্রে মাছ ধরা ট্রলারই নয়, স্থানীয় জেলেরাও ওই রাত থেকে কঁচা, সন্ধ্যা, বলেশ্বর, কালিগঙ্গা, ভেলুয়া, তালতলা ও মধুমতি নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছে।

শনিবার সরেজমিনে পিরোজপুর শহরের মাছ বাজারে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্রেতাই পাঙ্গাশ কিনছেন। প্রতি কেজি পাঙ্গাশ ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

pirojpur-Fish

মাছ ব্যবসায়ী মো. ইকবাল হোসেন উকিল জানান, নদীতে মাছ ধরা বন্ধ হওয়ায় ঘেরের পাঙ্গাশ সংগ্রহ করে বিক্রি করে ব্যবসা টিকিয়ে রাখছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন জানান, নিষেধাজ্ঞার ভেতর ইলিশ ধরার অপরাধে ইতোমধ্যে ছয় জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদফতর যৌথ অভিযান চালিয়ে গত ৭ দিনে প্রায় ১৯ লাখ টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করে পুড়িয়ে ফেলেছে।

হাসান মামুন/এফএ/এমএস

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন জাগো নিউজে। আজই পাঠিয়ে দিন - [email protected]