রোহিঙ্গা ইস্যুতে স্থানীয়দের ভাগ্য পরিবর্তনে পদক্ষেপ নেবে জার্মানি

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার
প্রকাশিত: ০৯:২৬ এএম, ১৮ জানুয়ারি ২০১৯

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে রয়েছে জার্মানি। রোহিঙ্গাদের নিরাপদে রাখার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের পদক্ষেপও নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জার্মান রাষ্ট্রদূত পিটার ফারেনহোলজ।

কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে টেকনাফ পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার তিনি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় লোকজন এবং টেকনাফ পৌরসভায় মেয়র ও কাউন্সিলরদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে টেকনাফ পৌর প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের কারণে স্থানীয়দের শ্রমবাজার দখল, রোহিঙ্গাদের মাদক চোরাচালানে সম্পৃক্ততা, রাস্তাঘাটের ক্ষয়ক্ষতি, ফসলি জমি ও বিশাল বনভূমির ক্ষয়ক্ষতি, খাদ্য সঙ্কট ও আইন-শৃংখলার অবনতির চিত্র তুলে ধরেন জার্মান রাষ্ট্রদূতের কাছে।

এতে জার্মান রাষ্ট্রদূত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবিক সহায়তা দেয়ায় স্থানীয়দের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জার্মান সরকার রোহিঙ্গাদের সহায়তার পাশাপাশি এদেশের স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতার চিন্তাভাবনা করছে।

জার্মান রাষ্ট্রদূতের টেকনাফ পৌরশহরে আগমণে পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলামসহ অন্যান্য কাউন্সিলররা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পৌর মিলনায়তনে পৌর মেয়র ও কাউন্সিলরদের নিয়ে মতবিনিময় সভায় টেকনাফ পৌরসভার মেয়র হাজী মো. ইসলাম, প্যানেল মেয়র আব্দুল্লাহ মনির, কহিনুর আকতার, কাউন্সিলর আবু হারেজ, হোছন আহমদ, নাজমা আলম, দিলরুবা খানম, পৌরসচিব মহি উদ্দিন ফয়েজী, ইঞ্জিনিয়ার জহির উদ্দিন আহমদ ও উপসহকারী মুর্শেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মতবিনিময় প্রসঙ্গে টেকনাফ পৌর মেয়র হাজী মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, জার্মান রাষ্ট্রদূতের টেকনাফ আগমন ছিল আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। আমরা তার কাছে রোহিঙ্গা সঙ্কটে সৃষ্ট সমস্যাবলী উপস্থাপন করেছি। তিনি সরকারের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়া জার্মান রাষ্ট্রদূতের উপস্থিতিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিওগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থানীয় ছেলেমেয়েদের অগ্রাধিকার দেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেছি।

সায়ীদ আলমগীর/এফএ/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :