ঈশ্বরদী রেলওয়ে লোকোশেডে জনবল সঙ্কট

জাগো নিউজ ডেস্ক
জাগো নিউজ ডেস্ক জাগো নিউজ ডেস্ক ঈশ্বরদী (পাবনা)
প্রকাশিত: ০৮:৪৮ পিএম, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগের বৃহত্তম ঈশ্বরদী লোকোশেডে জনবল সঙ্কটের কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঈশ্বরদী লোকোশেডে কর্মকর্তার বরাদ্দকৃত পদের সংখ্যা ২৩ জন। কিন্তু বর্তমানে রয়েছেন মাত্র আটজন। ফিটিংস কর্মচারীর মঞ্জুরী পদ ১১৮ জন থাকলেও এই পদে আছেন মাত্র ৪৫ জন। ফলে জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

এছাড়া লোকো মাস্টার ও ফিটিংস স্টাফদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ‘ওয়ার্কশপ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট’র ট্রেনিং কর্মকর্তা চলতি মাসে অবসরে যাচ্ছেন। এখানকার দুইজন ইন্সট্রাক্টরের একজন ঢাকায় এবং অপরজন ইতোমধ্যে খুলনায় বদলি হয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে একজন প্রধান সহকারী এবং টুলসকিপার দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের ম্যানেজার (ডিআরএম) মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, এই বিভাগে বর্তমানে ১০২৮ কিলিমিটারব্যাপী রেলপথে প্রতিদিন ১১৫টি ট্রেন চলাচল করছে। চরম জনবল সঙ্কটের মধ্যে আন্তঃনগর, মৈত্রী এক্সপ্রেস, মেইল, লোকাল এবং গুডস ট্রেন চলাচলে প্রতিনিয়ত কোনো না কোনো সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। নিচের পদগুলোতে কিছু লোক নিয়োগ হলেও গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য রয়েছে।

এ ব্যাপারে সদ্য বিদায়ী পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ডিএমই-লোকো) শেখ হাসানুজ্জামান বলেন, ওভারটাইম করিয়ে কোনোরকমে কাজ চালানো হচ্ছে। ৮৫০ জন খালাসি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঝুলে আছে। খালাসি পদে নিয়োগ চূড়ান্ত হলে সমস্যা আংশিক কমতে পারে। তবে কর্মকর্তার টেকনিক্যাল পদে সমস্যা থেকেই যাবে।

তিনি আরও বলেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলীর দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা হওয়ায় এই পদে নিয়োগ পিএসসির মাধ্যমে হয়। এসব পদে নিয়োগের উদ্যোগ এখনো নেয়া হয়নি। ১৯৮৫ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী ঈশ্বরদী রেলওয়ে লোকোমোটিভে উল্লেখিত পদ সৃষ্ট হয়। ওই সময়ের তুলনায় এখন দ্বিগুণের বেশি ট্রেন চলাচল করছে।

আলাউদ্দিন আহমেদ/এএম/এমকেএইচ

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।