নেত্রকোনায় নতুন করে ৫০ গ্রাম প্লাবিত
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে নেত্রকোনা সদরসহ ৪টি উপজেলার ৫০টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। কংশ নদীর পানি বিপদসীমার ১০০ সে.মি ও সুমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও বেড়েছে জেলার ছোট-বড় বেশ কয়েকটি নদীর পানি ।
এদিকে জেলা শহরের দত্ত উচ্চ বিদ্যালয়, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নাগড়া, সাতপাইসহ বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় বিঘ্নিত হচ্ছে পাঠদান। জেলার বারহাট্টা, কলমাকান্দা, দুর্গাপুর ও নেত্রকোনা সদরসহ ৪টি উপজেলার ৫০টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। জেলার ৫ শতাধিক পুকুর ও খামারের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে কমপক্ষে ৩ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ।
নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী খুশি মোহন সরকার জানান, কংশ নদীর পানি বিপদসীমার ১০০ সে.মি. ও সুমেশ্বরী নদীর পানি বিপদসীমার ৫০ সে.মি.উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এমনকি নদীর পানি এখনো বাড়ছে।
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক বিলাস চন্দ্র সরকার জাগো নিউজকে জানান, ৫ শতাধিক পুকুর ও খামারের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে কমপক্ষে ৩ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ।
কামাল হোসাইন/এসএস/পিআর