৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যৌথ বাহিনীর অভিযান চলবে


প্রকাশিত: ০১:১২ পিএম, ৩১ আগস্ট ২০১৫

বান্দরবানে মিয়ানমার সীমান্তে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন `আরাকান আর্মি`র বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ অভিযান চলবে। সোমবার দুপুরে বিজিবির বান্দরবান সেক্টর কমান্ডার কর্নেল অলিউর রহমান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

গত ২৬ আগস্ট এই সশস্ত্র সংগঠনটির ঘোড়া আটক করায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) জওয়ানদের সঙ্গে আরাকান আর্মির গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী গত বুধবার রাত ৮টা থেকে ওই অভিযান শুরু করে।

অভিযানের সফলতা সম্পর্কে কর্নেল অলিউর রহমান বলেন, সীমান্ত বিজিবির নিয়ন্ত্রণে আছে। অভিযানের মুখে আরাকান আর্মি সদস্যরা পিছু হটেছে। গহীন অরণ্যেও তাদের সন্ধানে অভিযান চালাবে বিজিবি ।

সীমান্তে বিওপি স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, ভূমি জটিলতার কারণে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্যে বর্ডার অবজারভেশন পোস্ট (বিওপি) স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না ।

এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, ভূমির বিষয়ে বান্দরবানে লামা বন বিভাগ বাধা সৃষ্টি করায় কিছু জায়গায় বিওপি স্থাপন করা যাচ্ছে না।

এক প্রশ্নের জবাবে মিয়ানমার সম্পর্কে কর্নেল অলিউর রহমান বলেন, মিয়ানমার বিজিবির প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে তাদের সীমান্ত সিল করে দিয়েছে যাতে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সেখানে প্রবেশ করতে না পারে। মায়ানমার বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করছে।

প্রসঙ্গত, আরাকান আর্মির (এএ) বিদ্রোহীদের ঘোড়া আটকের ঘটনায় বিজিবি-আরকান আর্মির গোলাগুলিতে আহত হন জাকির হোসেন নামে এক বিজিবি সদস্য। পরে বিজিবির সদস্যদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। পরে গত বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

সৈকত দাশ/এসএস

পাঠকপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগোনিউজ২৪.কমে লিখতে পারেন আপনিও। লেখার বিষয় ফিচার, ভ্রমণ, লাইফস্টাইল, ক্যারিয়ার, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম, কৃষি ও প্রকৃতি। আজই আপনার লেখাটি পাঠিয়ে দিন [email protected] ঠিকানায়।