বান্দরবানে আ.লীগ নেতা হত্যা, ৪ জেএসএস নেতা আটক

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি বান্দরবান
প্রকাশিত: ১০:০৩ পিএম, ২৫ মে ২০১৯
প্রতীকী ছবি

বান্দরবান পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চথোয়াই মং মার্মাকে হত্যার ঘটনায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) চার সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জন সংহতি সমিতির (জেএসএস) কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক কেএসমং মার্মা ও জেএসএসর জেলা সাধারণ সম্পাদক ক্যাবা মং মার্মা, মং হ্লা প্রু মার্মা ও হেডম্যান থৈ হ্লা মার্মা।

শনিবার বিকেলে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ। বান্দরবান সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম তাদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে, পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক পৌর কমিশনার চথোয়াই মং মার্মাকে হত্যার প্রতিবাদে রোববার অর্ধদিবস হরতালের ডাক দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বান্দরবান জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী।

জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের এক জরুরি বৈঠকে হরতালের মতো কঠিন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বান্দরবান-চট্টগ্রাম, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি এবং অভ্যন্তরীণ সড়কপথে সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বন্ধ চলবে হরতাল।

এর আগে দুপুরে বান্দরবান সদর উপজেলার জর্দান পাড়া থেকে অপহৃত পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মার্মার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে অর্ধগলিত মরদেহ বান্দরবান সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুপুরে উজি হেডম্যানপাড়ার বাগান বাড়ির এক কিলোমিটার দূরের পাহাড়ে স্থানীয়রা চথোয়াই মং মার্মার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।

বান্দরবান সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মার্মার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে।

গত বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার উজি হেডম্যানপাড়ার বাগান বাড়ি থেকে পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মার্মাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনার পর তাকে উদ্ধারের জন্য অভিযানে নামে যৌথবাহিনী।

এ ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা জেএসএসকে দায়ী করে চথোয়াই মং মার্মাকে উদ্ধারের দাবিতে জেলার সাতটি উপজেলায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিল।

সৈকত দাশ/এএম/এমএস

আপনার মতামত লিখুন :