তিন শিশুকে ধরে থানায় দিল গ্রামবাসী

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি
প্রকাশিত: ১১:১৩ এএম, ১৮ জুলাই ২০১৯

রাজাপুরের বড় কৈবর্তখালি গ্রামের সমবায় ক্লাব এলাকা থেকে অপরিচিত ৩ শিশুকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বড় কৈবর্তখালি গ্রামের সমবায় ক্লাব এলাকায় অপরিচিত তিন শিশুকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় তারা ওই তিন শিশুকে থানায় নিয়ে আসেন।

উদ্ধার হওয়া তিন শিশু হল- ঝালকাঠি সদর উপজেলার মধ্য চাদঁকাঠির মৃত জনি হাওলাদারের ছেলে সিফাত হাওলাদার (১১), একই এলাকার খোকন হোসেনের ছেলে বিজয় হোসেন (১০) ও রাজাপুরের পিংড়ি গ্রামের রাজমিস্ত্রী আবুল বাসারের ছেলে সিয়াম হোসেন (৭)।

উদ্ধার হওয়া শিশুরা জানায়, বুধবার দুপুরে সিফাত ও বিজয় দুই বন্ধু মিলে বেড়ানোর উদ্দেশে ঝালকাঠি কলেজ মোড় এলাকা থেকে বাসে উঠে রাজাপুরের দিকে আসছিল। কিন্তু ভাড়ার টাকা না থাকায় বাসের লোক তাদের রাজাপুর উপজেলার পিংড়ি এলাকায় নামিয়ে দেয়। সেখানে ঘোরাফেরার সময় সিয়ামের সঙ্গে তাদের পরিচয় হলে সেও তাদের সঙ্গে পায়ে হেঁটে ঘুরতে ঘুরতে বড় কৈবর্তখালি গ্রামের সমবায় ক্লাব এলাকায় চলে আসে।

সিফাত ঝালকাঠি সদর উপজেলার ভাউকাঠি পরমহল মাদরাসারয় ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। তার মা ঝালকাঠি সাধনার মোড় এলাকার মামনি হোটেলের কর্মচারী। বিজয় ঝালকাঠির ডাক্তার পট্টির নিবারন চন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (বুড়িমার স্কুল) ২য় শ্রেণিতে পড়ে, তার বাবা ঝালকাঠি শহরের মিতু সিনেমা এলাকার ভাই ভাই হোটেলের কর্মচারী।

সিয়ামের বাবা আবুল বাসার জানান, বিকেলে ১০ টাকা নিয়ে বাসা থেকে বের হয় সিয়াম এরপর আর বাসায় না ফেরায় তাকে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে জানতে পারি সে বড় কৈবর্তখালি গ্রামের সমবায় ক্লাব এলকায় সেনহ আরও দুই জনকে পাওয়া গেছে। পরে থানায় চলে আসেন তিনি।

রাজাপুর থানার ওসি মো. জাহিদ হোসেন জানান, ওই তিন শিশুকে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে উপজেলা আনসার কমান্ডার শুক্কুর হোসেনসহ স্থানীয়রা থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে রাজাপুর থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সিয়ামের বাবাসহ অন্যদের অভিভাবকরা খবর পেয়ে রাতেই থানায় এসে মুচলেকা দেয়ায় তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আব্দুল্লাহ আল মাসুদ/এমএমজেড/জেআইএম

আপনার মতামত লিখুন :