নতুন সড়ক আইনে সিলেটে ৪০ মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক সিলেট
প্রকাশিত: ১০:৩৬ এএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৯
সিলেটে নতুন সড়ক আইন কার্যকর

সিলেটে অবশেষে নতুন সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করেছে পুলিশ। সোমবার (০৯ ডিসেম্বর) প্রথম দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নতুন সড়ক আইনে ৪০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনটি মোটরসাইকেল ডাম্পিংয়ের জন্য নগর পুলিশ লাইনসে পাঠানো হয়েছে।

সোমবাবর রাতে জাগো নিউজকে এসব তথ্য জানিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা। তিনি বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর শুরু হয়। তবে এ আইনের বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করতে ও আইনের বিভিন্ন ধারা সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে তখন আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেয়া শুরু হয়নি। প্রচারণার পর সোমবার থেকে আইন কার্যকর করা শুরু হলো।

নতুন সড়ক আইন কার্যকরে সোমবার সকাল থেকে নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্টে অবস্থান নেন মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা। এ সময় অভিযান চালিয়ে ৪০টি মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে।

Sylhet-Police-1

সিলেটে নতুন সড়ক আইন কার্যকর

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ, অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ট্রাফিক-দক্ষিণ) নিকুলিন চাকমা, সহকারী কমিশনার (ট্রাফিক-উত্তর) আবুল খায়ের, টিআই (প্রশাসন) মুহিবুর রহমান, টিআই (প্রসিকিউশন) রাশেদ মামুন চৌধুরী ও টিআই হানিফ মিয়া প্রমুখ।

জেদান আল মুসা বলেন, ট্রাফিক পুলিশ নতুন সড়ক পরিবহন আইনে মামলা দায়ের কার্যক্রম শুরুর সঙ্গে জনসাধারণকে সচেতন করার চেষ্টাও করছে। এ লক্ষ্যে মাইকিংয়ের মাধ্যমে অসচেতনভাবে রাস্তা পারাপার না হওয়া, মোবাইলে কথা বলা অবস্থায় রাস্তা পারাপার না হওয়া, ফুটপাত ব্যবহার করা, রাস্তার ডান পাশ দিয়ে চলা, রাস্তা পারাপারে জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করা, সময় বাঁচাতে গিয়ে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে গাড়িতে না ওঠা, মোটরসাইকেলে চালক ব্যতীত একজনের বেশি আরোহী বহন না করা, চালক ও আরোহী উভয়কে সঠিকভাবে হেলমেট ব্যবহার করা, বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ব্যতীত মোটরসাইকেল না চালানো, বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল না চালানো, উচ্চ শব্দকারী সাইলেন্সার ব্যবহার করে পরিবেশ দূষণ না করা, মোটরসাইকেলের লুকিং গ্লাস না খোলা এবং উল্টোপথে গাড়ি না চালানোর বিষয়ে সচেতনতামূলক নির্দেশনা দেয়া হয়।

ছামির মাহমুদ/এএম/পিআর