ফরিদগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি চাঁদপুর
প্রকাশিত: ০৯:০৫ এএম, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০
ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের ওপর হামলার ঘটনায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এতে খাজে আহম্মদ মজুমদার, আবু সুফিয়ান, হেলাল উদ্দিন আহমেদসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আহত ইউপি চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম ঝুটন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার বাদী জাহিদুল ইসলাম ঝুটন অভিযোগে উল্লেখ করেন, তার ভাই হারুনুর রশিদ ফরিদগঞ্জের ২নং বালিথুবা (পূর্ব) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদে সমন্বয় কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভা শেষে তিনি নিজ এলাকায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে ফরিদগঞ্জ বাজারে অবস্থিত মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সামনে পৌঁছলে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা চালায়। এতে চেয়ারম্যান হারুন গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল উদ্দিন, আলাউদ্দিন, আব্দুল আজিজ, খাজে আহম্মদ মজুমদার, জাহাঙ্গীর আলম , এস.এম. টেলু, অপু শেখসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় দোকানপাট ও যানবাহন ভাঙচুরের অভিযোগও আনা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, গুরুতর আহত চাঁদপুর জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদকে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার বাম হাতের তিনটি আঙুল প্রায় বিচ্ছিন্ন। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত রয়েছে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদের সঙ্গে আহত যুবলীগ নেতা মহসিন তপাদার চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রকিব জানান, হারুনুর রশিদের ছোট ভাই ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০-২৫ জনের নামে হত্যা চেষ্টার একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগ মোতাবেক মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার তদন্ত এবং আইনগত ব্যবস্থা নিতে এসআই আব্দুল আওয়ালকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আওয়াল জানান, এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে।

ইকরাম চৌধুরী/আরএআর/এমএস