গার্মেন্টস বন্ধ রাখার অনুরোধ বিকেএমইএ সভাপতি সেলিম ওসমানের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৯:২১ পিএম, ২৫ মার্চ ২০২০
ফাইল ছবি

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে নারায়ণগঞ্জসহ সারাদেশের নিট সেক্টরের সকল কারখানা ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপিল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি অনুরোধ রেখেছেন বিকেএমইএ এর সভাপতি ও নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান।

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে তিনি শিল্প মালিক, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার অনুরোধ করা হয়েছে।

সেই মোতাবেক (বুধবার ২৫ মার্চ) ঢাকায় প্লানার্স টাওয়ারে বিকেএমইএ এর ঢাকার কার্যালয় থেকে বিকেএমইএ সকল সদস্য প্রতিষ্ঠানকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণসহ সার্বিক বিষয় ব্যাখা এবং কারখানাগুলো বন্ধ রাখার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিটি হুবহু দেয়া হলো :

১। রফতানি কার্যাদেশ বা এ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম না থাকলে ফ্যাক্টরি চালানোর কোনো প্রয়োজন নেই। কারণ জনসমাগম যত কম হবে, ততই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমবে। তাই অপ্রয়োজনে কারখানায় শ্রমিক এনে হাজিরা নেয়ার প্রয়োজন নেই। কারণ আপনার প্রতিষ্ঠানের একজন শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে, আপনার পুরো প্রতিষ্ঠানকে এমনকি আপনার আশে-পাশের ফ্যাক্টরিসমূহ তথা পুরো এলাকাকে লকডাউন করে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা আরও বেশি বিপদগ্রস্ত হবো। একইসঙ্গে কারখানা ছুটিকালীন সময়ে আপনার কারখানার শ্রমিকরা যে যেখানে অবস্থান করছে সে যেন সেখানেই অবস্থান করে তা নিশ্চিত করতে হবে। তাদেরকে বুঝাতে হবে, এটা কোনো ঈদ বা উৎসবের ছুটি নয়। তাই যে যেখানে অবস্থান করে, তাকে সেখানেই থাকতে হবে।

২। ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস সরকারি ছুটি এবং ২৭ মার্চ শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি হওয়ায়, উক্ত দুইদিন শ্রমিকদের সুবিধার্থে (বিশেষ করে তাদের বাজার, ওষুধপত্র ক্রয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় অন্যান্য কাজের কারণে) সম্ভব হলে আপনার কারখানা বন্ধ রাখার জন্য আমরা সবিনয়ে অনুরোধ জানাচ্ছি।

৩। যেহেতু সরকারের চূড়ান্ত নির্দেশনা এখনও আসেনি, সেক্ষেত্রে আপনার প্রয়োজনে বা যদি আপনি প্রয়োজন মনে করেন, আপনার সম্পূর্ণ নিজস্ব রিক্স অ্যান্ড রেসপন্সিবিলিটিতে আপনার কারখানা খোলা রেখে পরিচালনা করতে পারেন। আমাদের বুঝতে হবে, করোনাভাইরাস এখন মহামারী রূপধারণ করেছে। পৃথিবীর অনেক উন্নত দেশে কারফিউ এবং লকডাউনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস প্রতিরোধের চেষ্টা করা হচ্ছে। যেহেতু আমাদের প্রস্তুতকৃত পণ্যটি রফতানিযোগ্য পণ্য এবং বাংলাদেশের মূল বৈদেশিক মুদ্রা আননয়নকারী খাত, সেহেতু আমরা এ মুহূর্তেই পুরো সেক্টর বন্ধ করা হবে কিনা, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে পারছি না। তবে পরিস্থিতি যেভাবে নাজুক হচ্ছে, তাতে যে কোনো মুহূর্তেই বাংলাদেশেও কাউফিউ বা লকডাউন প্রয়োগ হতে পারে। ইতোমধ্যেই দেশে লঞ্চ, ট্রেন ও গণপরিবহন বন্ধ হয়ে গেছে। বিকেএমইএ সবসময় আপনাদের সঙ্গে আছে। যদি ট্রাক চলাচল করে, শিপিং লাইন খোলা থাকে, তবে আপনাকে শিপমেন্ট করার জন্য বিকেএমইএ সবরকমের সহায়তা করবে। তবে কারখানা চলাকালীন সময়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হাত থেকে শ্রমিক, কর্মকর্তা ও মালিকদের সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যগত সুরক্ষার সকল নিয়ম মেনে চলতে হবে।

৪। এমনকি আপনি ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার জন্য প্রয়োজনে ইচ্ছে হলে নিটিং, ডায়িং ক্লোজ করে সীমিত আকারে আপনার ফ্যাক্টরি পরিচালনা করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রেও করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

৫। আপনার প্রতিষ্ঠানের যেকোনো সমস্যা শ্রমিকদের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করে সমাধান করুন। মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত কাজও আমাদেরকে বিপদগ্রস্ত করতে পারে। কোনো অবস্থাতেই শ্রমিকদের বেতন-ভাতাদি বন্ধ করা যাবে না। আপনার ও আমার কারণে যাতে দেশে কোনো শ্রমিক অসন্তোষ দানা না বাঁধে, সেই ব্যাপারে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। এজন্যই শ্রমিকদের বিগত বকেয়াসহ সকল পাওনানি (যদি থাকে) ও মার্চ’২০ মাসের বেতন আপনার ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে সময়মতো প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির অনুরোধ জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় ঘটানো যাবে না, এটা সম্পূর্ণই আপনার দায়িত্ব।

৬। এই মহামারী (করোনাভাইরাস) নিয়ন্ত্রণে আসলে আমরা আমাদের ক্ষতির তথ্য ও পরিসংখ্যান সরকারের কাছে উপস্থাপন করবো এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাবার জন্য চেষ্টা করবো। তবে এ বিষয়ে এখনই কোনো কিছু দাবি করা যুক্তিসঙ্গত ও সময়োচিত নয়। তবে করোনাভাইরাসের কারণে কারখানার কী পরিমাণ অর্ডার বাতিল, স্থগিত এবং শিপমেন্ট বাতিল হয়েছে তার পাশাপাশি আপনার কারখানার মার্চ মাসের শ্রমিক/কর্মচারী/কর্মকর্তার মোট সংখ্যা এবং বেতনের পরিমাণ ও পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস বিল বাবদ যে খরচ দাঁড়ায় তা দ্রুততম সময়ের মধ্যে পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

৭। ইতোমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি সমস্ত কার্যালয় ২৬ মার্চ’২০ থেকে ৪ঠা এপ্রিল’২০ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের জানা তথ্য মতে অনেক প্রতিষ্ঠানও সরকারের নির্দেশনা অনুসারে ২৬ মার্চ’২০ থেকে ৪ঠা এপ্রিল’২০ পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তাই আপনার প্রতিষ্ঠানে যথেষ্ট কাজ না থাকলে আপনিও ইচ্ছে করলে আগামী ২৬ মার্চ’২০ থেকে ৪ঠা এপ্রিল’২০ পর্যন্ত আপনার কারখানা বন্ধ রাখাতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রেও কারখানার শ্রমিক/কর্মকর্তার বেতন-ভাতাদি সময়মতো প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

৮। যদি ফ্যাক্টরি ছুটি দিয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মধ্য থেকে স্বেচ্ছাশ্রমে (ভলান্টিয়ার সার্ভিস) আগ্রহীদের নিয়ে টিম করে আপনার কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

৯। ছুটির পরে ফ্যাক্টরি খোলার সময় অবশ্যই শ্রমিক/কর্মকর্তাসহ সকলের মেডিক্যাল চেকআপ করে কোনো রোগ না থাকার বিষয়টি সুনিশ্চিত হয়ে তবেই তাদের (শ্রমিক/কর্মকর্তা) আপনার ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করান।

শাহাদাত হোসেন/এমএএস/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

১২,৫৯,৬৯১
আক্রান্ত

৬৮,৩৮৭
মৃত

২,৫৯,৬৩৭
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৮৮ ৩৩
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩,৩০,১৫৫ ৯,৪৪২ ১৬,৭০৫
স্পেন ১,৩০,৭৫৯ ১২,৪১৮ ৩৮,০৮০
ইতালি ১,২৮,৯৪৮ ১৫,৮৮৭ ২১,৮১৫
জার্মানি ৯৯,৯৬৪ ১,৫৭৩ ২৮,৭০০
ফ্রান্স ৮৯,৯৫৩ ৭,৫৬০ ১৫,৪৩৮
চীন ৮১,৬৬৯ ৩,৩২৯ ৭৬,৯৬৪
ইরান ৫৮,২২৬ ৩,৬০৩ ১৯,৭৩৬
যুক্তরাজ্য ৪৭,৮০৬ ৪,৯৩৪ ১৩৫
১০ তুরস্ক ২৭,০৬৯ ৫৭৪ ১,০৪২
১১ সুইজারল্যান্ড ২১,১০০ ৬৮৫ ৬,৪১৫
১২ বেলজিয়াম ১৯,৬৯১ ১,৪৪৭ ৩,৭৫১
১৩ নেদারল্যান্ডস ১৭,৮৫১ ১,৭৬৬ ২৫০
১৪ কানাডা ১৫,৪১৬ ২৭৭ ২,৬১৩
১৫ অস্ট্রিয়া ১২,০৫১ ২০৪ ২,৯৯৮
১৬ পর্তুগাল ১১,২৭৮ ২৯৫ ৭৫
১৭ ব্রাজিল ১০,৫৬৮ ৪৫৫ ১২৭
১৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১০,২৩৭ ১৮৩ ৬,৪৬৩
১৯ ইসরায়েল ৮,৪৩০ ৪৯ ৪৭৭
২০ সুইডেন ৬,৮৩০ ৪০১ ২০৫
২১ অস্ট্রেলিয়া ৫,৬৮৭ ৩৫ ২,৩১৫
২২ নরওয়ে ৫,৬৮৭ ৭১ ৩২
২৩ রাশিয়া ৫,৩৮৯ ৪৫ ৩৫৫
২৪ আয়ারল্যান্ড ৪,৯৯৪ ১৫৮ ২৫
২৫ চেক প্রজাতন্ত্র ৪,৫৪৩ ৬৭ ৯৬
২৬ চিলি ৪,৪৭১ ৩৪ ৬১৮
২৭ ডেনমার্ক ৪,৩৬৯ ১৭৯ ১,৩২৭
২৮ পোল্যান্ড ৪,১০২ ৯৪ ১৩৪
২৯ রোমানিয়া ৩,৮৬৪ ১৫১ ৩৭৪
৩০ মালয়েশিয়া ৩,৬৬২ ৬১ ১,০০৫
৩১ ইকুয়েডর ৩,৬৪৬ ১৮০ ১০০
৩২ ভারত ৩,৫৮৮ ৯৯ ২২৯
৩৩ ফিলিপাইন ৩,২৪৬ ১৫২ ৬৪
৩৪ জাপান ৩,১৩৯ ৭৭ ৫১৪
৩৫ পাকিস্তান ৩,১২৩ ৪৫ ২০৮
৩৬ লুক্সেমবার্গ ২,৮০৪ ৩৬ ৫০০
৩৭ সৌদি আরব ২,৩৮৫ ৩৪ ৪৮৮
৩৮ পেরু ২,২৮১ ৮৩ ৯৮৯
৩৯ ইন্দোনেশিয়া ২,২৭৩ ১৯৮ ১৬৪
৪০ থাইল্যান্ড ২,১৬৯ ২৩ ৭৯৩
৪১ ফিনল্যাণ্ড ১,৯২৭ ২৮ ৩০০
৪২ সার্বিয়া ১,৯০৮ ৫১ ৫৪
৪৩ মেক্সিকো ১,৮৯০ ৭৯ ৬৩৩
৪৪ পানামা ১,৮০১ ৪৬ ১৩
৪৫ সংযুক্ত আরব আমিরাত ১,৭৯৮ ১০ ১৪৪
৪৬ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১,৭৪৫ ৮২ ১৭
৪৭ গ্রীস ১,৭৩৫ ৭৩ ৭৮
৪৮ কাতার ১,৬০৪ ১২৩
৪৯ দক্ষিণ আফ্রিকা ১,৫৮৫ ৯৫
৫০ আইসল্যান্ড ১,৪৮৬ ৪২৮
৫১ কলম্বিয়া ১,৪৮৫ ৩৫ ৮৮
৫২ আর্জেন্টিনা ১,৪৫১ ৪৪ ২৮০
৫৩ আলজেরিয়া ১,৩২০ ১৫২ ৯০
৫৪ সিঙ্গাপুর ১,৩০৯ ৩২০
৫৫ ইউক্রেন ১,২৫১ ৩২ ২৫
৫৬ ক্রোয়েশিয়া ১,১৮২ ১৫ ১২৫
৫৭ মিসর ১,১৭৩ ৭৮ ২৪৭
৫৮ এস্তোনিয়া ১,০৯৭ ১৫ ৬২
৫৯ নিউজিল্যান্ড ১,০৩৯ ১৫৬
৬০ স্লোভেনিয়া ৯৯৭ ২৮ ৭৯
৬১ মরক্কো ৯৯০ ৬৯ ৭১
৬২ ইরাক ৯৬১ ৬১ ২৭৯
৬৩ হংকং ৮৯০ ২০৬
৬৪ মলদোভা ৮৬৪ ১৫ ৩০
৬৫ আর্মেনিয়া ৮২২ ৫৭
৬৬ লিথুনিয়া ৮১১ ১৩
৬৭ হাঙ্গেরি ৭৩৩ ৩৪ ৬৬
৬৮ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১১ ৬১৯
৬৯ বাহরাইন ৬৯৮ ৪২৭
৭০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ৬৫৪ ২৩ ৩০
৭১ কাজাখস্তান ৫৮৪ ৪২
৭২ আজারবাইজান ৫৮৪ ৩২
৭৩ তিউনিশিয়া ৫৭৪ ২২
৭৪ বেলারুশ ৫৬২ ৫২
৭৫ কুয়েত ৫৫৬ ৯৯
৭৬ ক্যামেরুন ৫৫৫ ১৭
৭৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ৫৫৫ ১৮ ২৩
৭৮ লাটভিয়া ৫৩৩
৭৯ বুলগেরিয়া ৫৩১ ২০ ৩৭
৮০ লেবানন ৫২৭ ১৮ ৫৪
৮১ এনডোরা ৫০১ ১৮ ২৬
৮২ স্লোভাকিয়া ৪৮৫ ১০
৮৩ সাইপ্রাস ৪৪৬ ৩৭
৮৪ কোস্টারিকা ৪৩৫ ১৩
৮৫ উরুগুয়ে ৪০০ ৯৩
৮৬ তাইওয়ান ৩৬৩ ৫৪
৮৭ আলবেনিয়া ৩৬১ ২০ ১০৪
৮৮ আফগানিস্তান ৩৪৯ ১৫
৮৯ জর্ডান ৩৪৫ ১১০
৯০ বুর্কিনা ফাঁসো ৩৪৫ ১৭ ৯০
৯১ রিইউনিয়ন ৩৪৪ ৪০
৯২ কিউবা ৩২০ ১৫
৯৩ উজবেকিস্তান ৩১০ ৩০
৯৪ ওমান ২৯৮ ৬১
৯৫ চ্যানেল আইল্যান্ড ২৮০ ২৭
৯৬ হন্ডুরাস ২৬৮ ২২
৯৭ সান ম্যারিনো ২৬৬ ৩২ ৩৫
৯৮ আইভরি কোস্ট ২৪৫ ২৫
৯৯ ভিয়েতনাম ২৪১ ৯০
১০০ ফিলিস্তিন ২৩৪ ২৩
১০১ মালটা ২২৭
১০২ মরিশাস ২২৭
১০৩ নাইজেরিয়া ২২৪ ২৭
১০৪ সেনেগাল ২২২ ৮২
১০৫ ঘানা ২১৪ ৩১
১০৬ মন্টিনিগ্রো ২১৪
১০৭ ফারে আইল্যান্ড ১৮১ ৯৯
১০৮ শ্রীলংকা ১৭৬ ৩৩
১০৯ জর্জিয়া ১৭৪ ৩৬
১১০ ভেনেজুয়েলা ১৫৯ ৫২
১১১ বলিভিয়া ১৫৭ ১০
১১২ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ১৫৪ ১৮
১১৩ মার্টিনিক ১৪৯ ৫০
১১৪ কিরগিজস্তান ১৪৭
১১৫ নাইজার ১৪৪
১১৬ কেনিয়া ১৪২
১১৭ ব্রুনাই ১৩৫ ৭৩
১১৮ গুয়াদেলৌপ ১৩৪ ২৪
১১৯ মায়োত্তে ১৩৪ ১৪
১২০ আইল অফ ম্যান ১২৭
১২১ গিনি ১২১
১২২ কম্বোডিয়া ১১৪ ৫০
১২৩ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১০৪
১২৪ প্যারাগুয়ে ১০৪ ১২
১২৫ রুয়ান্ডা ১০৪
১২৬ জিব্রাল্টার ১০৩ ৫২
১২৭ লিচেনস্টেইন ৭৭
১২৮ মোনাকো ৭৩
১২৯ মাদাগাস্কার ৭২
১৩০ আরুবা ৬৪
১৩১ এল সালভাদর ৬২
১৩২ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৬১ ২২
১৩৩ গুয়াতেমালা ৬১ ১৫
১৩৪ জিবুতি ৫৯
১৩৫ বার্বাডোস ৫৬
১৩৬ জ্যামাইকা ৫৫
১৩৭ উগান্ডা ৪৮
১৩৮ মালি ৪৫
১৩৯ কঙ্গো ৪৫
১৪০ ম্যাকাও ৪৪ ১০
১৪১ টোগো ৪৪ ২০
১৪২ ইথিওপিয়া ৪৩
১৪৩ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৪১
১৪৪ জাম্বিয়া ৩৯
১৪৫ বারমুডা ৩৭ ১৪
১৪৬ কেম্যান আইল্যান্ড ৩৫
১৪৭ সেন্ট মার্টিন ২৯
১৪৮ ইরিত্রিয়া ২৯
১৪৯ বাহামা ২৮
১৫০ সিন্ট মার্টেন ২৫
১৫১ গায়ানা ২৪
১৫২ বেনিন ২২
১৫৩ গ্যাবন ২১
১৫৪ মায়ানমার ২১
১৫৫ হাইতি ২১
১৫৬ তানজানিয়া ২০
১৫৭ মালদ্বীপ ১৯ ১৩
১৫৮ সিরিয়া ১৯
১৫৯ লিবিয়া ১৮
১৬০ গিনি বিসাউ ১৮
১৬১ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৭
১৬২ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১৬
১৬৩ নামিবিয়া ১৬
১৬৪ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ১৫
১৬৫ ডোমিনিকা ১৪
১৬৬ মঙ্গোলিয়া ১৪
১৬৭ সেন্ট লুসিয়া ১৪
১৬৮ লাইবেরিয়া ১৩
১৬৯ গ্রেনাডা ১২
১৭০ সুদান ১২
১৭১ ফিজি ১২
১৭২ কিউরাসাও ১১
১৭৩ গ্রীনল্যাণ্ড ১১
১৭৪ লাওস ১১
১৭৫ সুরিনাম ১০
১৭৬ মোজাম্বিক ১০
১৭৭ সিসিলি ১০
১৭৮ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১০
১৭৯ অ্যাঙ্গোলা ১০
১৮০ জান্ডাম (জাহাজ)
১৮১ জিম্বাবুয়ে
১৮২ ইসওয়াতিনি
১৮৩ চাদ
১৮৪ নেপাল
১৮৫ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক
১৮৬ ভ্যাটিকান সিটি
১৮৭ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড
১৮৮ সোমালিয়া
১৮৯ কেপ ভার্দে
১৯০ মৌরিতানিয়া
১৯১ মন্টসেরাট
১৯২ সেন্ট বারথেলিমি
১৯৩ নিকারাগুয়া
১৯৪ বতসোয়ানা
১৯৫ সিয়েরা লিওন
১৯৬ ভুটান
১৯৭ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড
১৯৮ বেলিজ
১৯৯ গাম্বিয়া
২০০ মালাউই
২০১ পশ্চিম সাহারা
২০২ এ্যাঙ্গুইলা
২০৩ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ
২০৪ বুরুন্ডি
২০৫ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২০৬ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড
২০৭ পাপুয়া নিউ গিনি
২০৮ পূর্ব তিমুর
২০৯ দক্ষিণ সুদান
২১০ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।