নারায়ণগঞ্জ দ্রুত লকডাউন করার আহ্বান শামীম ওসমানের

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধি জেলা প্রতিনিধি নারায়ণগঞ্জ
প্রকাশিত: ০৭:০০ পিএম, ০৫ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পুরো নারায়ণগঞ্জকে লকডাউনের আওতায় আনার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জে ক্রমশ করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আগেই এটাকে রোধ করতে হবে। তাই আমি প্রশাসনকে অনুরোধ করবো যত দ্রুত সম্ভব পুরো নারায়ণগঞ্জকে লকডাউনের আওতায় আনুন। সেই সঙ্গে প্রশাসনকে এও আহ্বান জানাবো ‘লকডাউন’ মানে ‘লকডাউন’। এর কোনো ব্যত্যয় ঘটতে দেয়া যাবে না। কাউকে যেন ঘর থেকে বের হতে না দেয়া হয়। আমাদের আওয়ামী লীগের শত শত নেতাকর্মী, স্বেচ্ছাসেবী, সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিতরা সক্রিয় আছেন। যে কেউ ফোন করলে আমরা তাদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিব।

শামীম ওসমান আরও বলেন, এ সময়ে আমাদের কঠোর হওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। বার বার প্রশাসন মাইকিং করে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করার পরও দেখতে পাচ্ছি অনেকে বাইরে বের হচ্ছে। অনেক এলাকায়ও লোকজন জড়ো হয়। অনতিবিলম্বে প্রশাসনকে বলবো কোনো দিক না তাকিয়ে আপনারা কঠোর হন। এখন বড় বিষয় পুরো জাতিকে রক্ষা করা। এজন্য যত কঠোর হওয়া প্রয়োজন আপনারা হন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।

প্রসঙ্গত, নারায়ণগঞ্জে নতুন করে ছয়জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এরই মধ্যে এ জেলায় দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও করোনার ফোকাল পার্সন ডা. জাহিদুল ইসলাম বলেন, শনিবার ১৪ জন ও এর আগের দিন ১৩ জন মোট ২৭ জনের নমুনা আমরা সংগ্রহ করেছিলাম। এর মধ্যে ছয়জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

এর আগে নারায়ণগঞ্জে নমুনা সংগ্রহের পর ৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হিসেবে দুজনকে চিহ্নিত করে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। যারা ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। পরে ২৩ মার্চ জেলায় আরও একজন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছিলেন জেলা সিভিল সার্জন। পরে তিনিও ১ এপ্রিল সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন।

৩০ মার্চ জেলায় প্রথম করোনা আক্রান্ত হয়ে বন্দরের রসুলবাগ এলাকার মারা যান এক ব্যক্তি। পরে ২ এপ্রিল রাতে এলাকাটি লকডাউন করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে ৪ এপ্রিল জেলায় দ্বিতীয় আরেক ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

শাহাদাত হোসেন/আরএআর/এমএস

করোনা ভাইরাস - লাইভ আপডেট

৫৬,৪৬,২৮৭
আক্রান্ত

৩,৫০,১৪১
মৃত

২৪,০৮,৭৪৬
সুস্থ

# দেশ আক্রান্ত মৃত সুস্থ
বাংলাদেশ ৩৬,৭৫১ ৫২২ ৭,৫৭৯
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৭,১৭,৫৫২ ১,০০,২৬৯ ৪,৬৯,২৬২
ব্রাজিল ৩,৭৭,৭৮০ ২৩,৬২২ ১,৫৩,৮৩৩
রাশিয়া ৩,৬২,৩৪২ ৩,৮০৭ ১,৩১,১২৯
স্পেন ২,৮৩,৩৩৯ ২৮,৭৫২ ১,৯৬,৯৫৮
যুক্তরাজ্য ২,৬৫,২২৭ ৩৭,০৪৮ ৩৪৪
ইতালি ২,৩০,৫৫৫ ৩২,৯৫৫ ১,৪৪,৬৫৮
ফ্রান্স ১,৮২,৯৪২ ২৮,৫৩০ ৬৫,৮৭৯
জার্মানি ১,৮১,২৪৫ ৮,৪৯৭ ১,৬২,০০০
১০ তুরস্ক ১,৫৮,৭৬২ ৪,৩৯৭ ১,২১,৫০৭
১১ ভারত ১,৫০,৭৭২ ৪,৩৪৯ ৬৪,২৭৭
১২ ইরান ১,৩৯,৫১১ ৭,৫০৮ ১,০৯,৪৩৭
১৩ পেরু ১,২৩,৯৭৯ ৩,৬২৯ ৫০,৯৪৯
১৪ কানাডা ৮৬,৬১৪ ৬,৬৩৭ ৪৫,২৪৫
১৫ চীন ৮২,৯৯২ ৪,৬৩৪ ৭৮,২৭৭
১৬ চিলি ৭৭,৯৬১ ৮০৬ ৩০,৯১৫
১৭ সৌদি আরব ৭৬,৭২৬ ৪১১ ৪৮,৪৫০
১৮ মেক্সিকো ৭১,১০৫ ৭,৬৩৩ ৪৯,৮৯০
১৯ পাকিস্তান ৫৭,৭০৫ ১,১৯৭ ১৮,৩১৪
২০ বেলজিয়াম ৫৭,৪৫৫ ৯,৩৩৪ ১৫,৩২০
২১ কাতার ৪৭,২০৭ ২৮ ১১,৮৪৪
২২ নেদারল্যান্ডস ৪৫,৫৭৮ ৫,৮৫৬ ২৫০
২৩ বেলারুশ ৩৮,০৫৯ ২০৮ ১৫,০৮৬
২৪ ইকুয়েডর ৩৭,৩৫৫ ৩,২০৩ ১৮,০০৩
২৫ সুইডেন ৩৪,৪৪০ ৪,১২৫ ৪,৯৭১
২৬ সিঙ্গাপুর ৩২,৩৪৩ ২৩ ১৬,৪৪৪
২৭ সংযুক্ত আরব আমিরাত ৩১,০৮৬ ২৫৩ ১৫,৯৮২
২৮ পর্তুগাল ৩১,০০৭ ১,৩৪২ ১৮,০৯৬
২৯ সুইজারল্যান্ড ৩০,৭৬১ ১,৯১৫ ২৮,২০০
৩০ আয়ারল্যান্ড ২৪,৭৩৫ ১,৬১৫ ২১,০৬০
৩১ দক্ষিণ আফ্রিকা ২৩,৬১৫ ৪৮১ ১১,৯১৭
৩২ ইন্দোনেশিয়া ২৩,১৬৫ ১,৪১৮ ৫,৮৭৭
৩৩ কুয়েত ২২,৫৭৫ ১৭২ ৭,৩০৬
৩৪ পোল্যান্ড ২২,০৭৪ ১,০২৪ ১০,০২০
৩৫ কলম্বিয়া ২১,৯৮১ ৭৫০ ৫,২৬৫
৩৬ ইউক্রেন ২১,৫৮৪ ৬৪৪ ৭,৫৭৫
৩৭ মিসর ১৮,৭৫৬ ৭৯৭ ৫,০২৭
৩৮ রোমানিয়া ১৮,৪২৯ ১,২১৬ ১১,৮৭৪
৩৯ ইসরায়েল ১৬,৭৫৭ ২৮১ ১৪,৪৫৭
৪০ জাপান ১৬,৫৮১ ৮৩০ ১৩,৬১২
৪১ অস্ট্রিয়া ১৬,৫৫৭ ৬৪৩ ১৫,১৮২
৪২ ডোমিনিকান আইল্যান্ড ১৫,২৬৪ ৪৬৮ ৮,৫৩৪
৪৩ ফিলিপাইন ১৪,৬৬৯ ৮৮৬ ৩,৪১২
৪৪ আর্জেন্টিনা ১২,৬২৮ ৪৭১ ৪,১৬৭
৪৫ আফগানিস্তান ১১,৮৩১ ২২০ ১,১২৮
৪৬ ডেনমার্ক ১১,৪২৮ ৫৬৩ ১০,০৪৪
৪৭ সার্বিয়া ১১,২২৭ ২৩৯ ৬,০৬৭
৪৮ দক্ষিণ কোরিয়া ১১,২২৫ ২৬৯ ১০,২৭৫
৪৯ পানামা ১১,১৮৩ ৩১০ ৬,২৭৯
৫০ বাহরাইন ৯,৩৬৬ ১৪ ৪,৯৩৮
৫১ চেক প্রজাতন্ত্র ৯,০৩৪ ৩১৭ ৬,২৬৩
৫২ কাজাখস্তান ৮,৯৬৯ ৪৮৯ ৪,৬১৩
৫৩ আলজেরিয়া ৮,৬৯৭ ৬১৭ ৪,৯১৮
৫৪ নরওয়ে ৮,৩৭৪ ২৩৫ ৭,৭২৭
৫৫ ওমান ৮,১১৮ ৩৭ ২,০৬৭
৫৬ নাইজেরিয়া ৮,০৬৮ ২৩৩ ২,৩১১
৫৭ মালয়েশিয়া ৭,৬০৪ ১১৫ ৬,০৪১
৫৮ মরক্কো ৭,৫৭৭ ২০২ ৪,৮৮১
৫৯ আর্মেনিয়া ৭,৪০২ ৯১ ৩,২২০
৬০ মলদোভা ৭,৩০৫ ২৬৭ ৩,৮৮৪
৬১ অস্ট্রেলিয়া ৭,১৩৩ ১০২ ৬,৫৫৩
৬২ ঘানা ৬,৯৬৪ ৩২ ২,০৯৭
৬৩ বলিভিয়া ৬,৬৬০ ২৬১ ৬৪৭
৬৪ ফিনল্যাণ্ড ৬,৬২৮ ৩১২ ৫,১০০
৬৫ ক্যামেরুন ৫,০৪৪ ১৭১ ১,৯১৭
৬৬ ইরাক ৪,৮৪৮ ১৬৯ ২,৮৫২
৬৭ আজারবাইজান ৪,৪০৩ ৫২ ২,৮১৯
৬৮ হন্ডুরাস ৪,১৮৯ ১৮২ ৪৭৩
৬৯ লুক্সেমবার্গ ৩,৯৯৫ ১১০ ৩,৭৮৩
৭০ সুদান ৩,৯৭৬ ১৭০ ৫০৩
৭১ হাঙ্গেরি ৩,৭৭১ ৪৯৯ ১,৮৩৬
৭২ গুয়াতেমালা ৩,৭৬০ ৫৯ ২৭৪
৭৩ উজবেকিস্তান ৩,২৯০ ১৪ ২,৬৩৬
৭৪ গিনি ৩,২৭৫ ২০ ১,৬৭৩
৭৫ তাজিকিস্তান ৩,২৬৬ ৪৭ ১,৪১৭
৭৬ সেনেগাল ৩,১৬১ ৩৬ ১,৫৬৫
৭৭ থাইল্যান্ড ৩,০৪৫ ৫৭ ২,৯২৯
৭৮ গ্রীস ২,৮৯২ ১৭৩ ১,৩৭৪
৭৯ আইভরি কোস্ট ২,৪৭৭ ৩০ ১,২৮৬
৮০ জিবুতি ২,৪৬৮ ১৪ ১,০৭৯
৮১ বুলগেরিয়া ২,৪৪৩ ১৩০ ৮৮০
৮২ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা ২,৪১৬ ১৪৯ ১,৭২১
৮৩ ড্যানিশ রিফিউজি কাউন্সিল ২,৪০৩ ৬৮ ৩৪০
৮৪ ক্রোয়েশিয়া ২,২৪৪ ১০১ ২,০৪৬
৮৫ গ্যাবন ২,১৩৫ ১৪ ৫৬২
৮৬ এল সালভাদর ২,০৪২ ৩৬ ৭৮৭
৮৭ উত্তর ম্যাসেডোনিয়া ২,০১৪ ১১৬ ১,৪৫৩
৮৮ কিউবা ১,৯৬৩ ৮২ ১,৭০৯
৮৯ এস্তোনিয়া ১,৮৩৪ ৬৫ ১,৫৫২
৯০ আইসল্যান্ড ১,৮০৪ ১০ ১,৭৯২
৯১ সোমালিয়া ১,৭১১ ৬৭ ২৫৩
৯২ লিথুনিয়া ১,৬৩৯ ৬৫ ১,১৬৫
৯৩ মায়োত্তে ১,৬৩৪ ২০ ৮৯৪
৯৪ স্লোভাকিয়া ১,৫১৩ ২৮ ১,৩২২
৯৫ নিউজিল্যান্ড ১,৫০৪ ২১ ১,৪৬১
৯৬ স্লোভেনিয়া ১,৪৬৯ ১০৮ ১,৩৪৬
৯৭ কিরগিজস্তান ১,৪৬৮ ১৬ ১,০১৫
৯৮ মালদ্বীপ ১,৩৯৫ ১৫৫
৯৯ কেনিয়া ১,৩৪৮ ৫২ ৪০৫
১০০ শ্রীলংকা ১,৩১৯ ১০ ৭১২
১০১ গিনি বিসাউ ১,১৭৮ ৪২
১০২ ভেনেজুয়েলা ১,১৭৭ ১৬ ৩০২
১০৩ লেবানন ১,১৪০ ২৬ ৬৮৯
১০৪ মালি ১,০৭৭ ৭০ ৬১৭
১০৫ হংকং ১,০৬৬ ১,০৩৩
১০৬ হাইতি ১,০৬৩ ৩১ ২৯
১০৭ লাটভিয়া ১,০৫৩ ২২ ৭৪১
১০৮ তিউনিশিয়া ১,০৫১ ৪৮ ৯১৯
১০৯ ইকোয়েটরিয়াল গিনি ১,০৪৩ ১২ ১৬৫
১১০ আলবেনিয়া ১,০২৯ ৩৩ ৮০৩
১১১ কোস্টারিকা ৯৫৬ ১০ ৬৩৪
১১২ নাইজার ৯৫১ ৬২ ৭৮৬
১১৩ সাইপ্রাস ৯৩৯ ১৭ ৫৯৪
১১৪ জাম্বিয়া ৯২০ ৩৩৬
১১৫ উরুগুয়ে ৮৮৭ ২২ ৬২৯
১১৬ প্যারাগুয়ে ৮৭৭ ১১ ৩৮২
১১৭ বুর্কিনা ফাঁসো ৮৩২ ৫২ ৬৭২
১১৮ দক্ষিণ সুদান ৮০৬
১১৯ নেপাল ৭৭২ ১৫৫
১২০ এনডোরা ৭৬৩ ৫১ ৬৬৩
১২১ নিকারাগুয়া ৭৫৯ ৩৫ ৩৭০
১২২ সিয়েরা লিওন ৭৫৪ ৪৪ ২৯৭
১২৩ জর্জিয়া ৭৩২ ১২ ৫৩৭
১২৪ জর্ডান ৭১৮ ৫৮৬
১২৫ ডায়মন্ড প্রিন্সেস (প্রমোদ তরী) ৭১২ ১৩ ৬৫১
১২৬ ইথিওপিয়া ৭০১ ১৬৭
১২৭ চাদ ৭০০ ৬২ ৩০৩
১২৮ সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ৬৭১ ২২
১২৯ সান ম্যারিনো ৬৬৬ ৪২ ২৭৫
১৩০ মালটা ৬১১ ৪৮৫
১৩১ মাদাগাস্কার ৫৮৬ ১৪৭
১৩২ ফিলিস্তিন ৫৭৭ ৩৬৫
১৩৩ চ্যানেল আইল্যান্ড ৫৫৯ ৪৫ ৫১৭
১৩৪ জ্যামাইকা ৫৫৬ ২৩৮
১৩৫ তানজানিয়া ৫০৯ ২১ ১৮৩
১৩৬ কঙ্গো ৪৮৭ ১৬ ১৪৭
১৩৭ রিইউনিয়ন ৪৫৯ ৪১১
১৩৮ তাইওয়ান ৪৪১ ৪১৬
১৩৯ কেপ ভার্দে ৩৯০ ১৫৫
১৪০ টোগো ৩৮৬ ১৩ ১৬১
১৪১ ফ্রেঞ্চ গায়ানা ৩৫৩ ১৪৬
১৪২ রুয়ান্ডা ৩৩৯ ২৪৪
১৪৩ বেনিন ৩৩৯ ১১৮
১৪৪ আইল অফ ম্যান ৩৩৬ ২৪ ৩০৬
১৪৫ মরিশাস ৩৩৪ ১০ ৩২২
১৪৬ ভিয়েতনাম ৩২৭ ২৭২
১৪৭ মন্টিনিগ্রো ৩২৪ ৩১৫
১৪৮ মৌরিতানিয়া ২৬৮ ১৩ ১৫
১৪৯ লাইবেরিয়া ২৬৬ ২৬ ১৪৪
১৫০ উগান্ডা ২৬৪ ৬৯
১৫১ ইসওয়াতিনি ২৬১ ১৬৪
১৫২ ইয়েমেন ২৪৯ ৪৯ ১১
১৫৩ মোজাম্বিক ২১৩ ৭১
১৫৪ মায়ানমার ২০৬ ১২৪
১৫৫ মার্টিনিক ১৯৭ ১৪ ৯১
১৫৬ ফারে আইল্যান্ড ১৮৭ ১৮৭
১৫৭ গুয়াদেলৌপ ১৬১ ১৪ ১১৫
১৫৮ জিব্রাল্টার ১৫৪ ১৪৭
১৫৯ ব্রুনাই ১৪১ ১৩৭
১৬০ মঙ্গোলিয়া ১৪১ ৩৭
১৬১ গায়ানা ১৩৭ ১১ ৬২
১৬২ কেম্যান আইল্যান্ড ১৩৪ ৬১
১৬৩ বারমুডা ১৩৩ ৮৯
১৬৪ কম্বোডিয়া ১২৪ ১২২
১৬৫ সিরিয়া ১২১ ৪১
১৬৬ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো ১১৬ ১০৮
১৬৭ আরুবা ১০১ ৯৫
১৬৮ মালাউই ১০১ ৩৭
১৬৯ বাহামা ১০০ ১১ ৪৬
১৭০ মোনাকো ৯৮ ৯০
১৭১ বার্বাডোস ৯২ ৭১
১৭২ কমোরস ৮৭ ২১
১৭৩ লিচেনস্টেইন ৮২ ৫৫
১৭৪ সিন্ট মার্টেন ৭৭ ১৫ ৫৯
১৭৫ লিবিয়া ৭৭ ৪০
১৭৬ অ্যাঙ্গোলা ৭০ ১৮
১৭৭ ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়া ৬০ ৬০
১৭৮ জিম্বাবুয়ে ৫৬ ২৫
১৭৯ ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জ ৫৪
১৮০ ম্যাকাও ৪৫ ৪৫
১৮১ বুরুন্ডি ৪২ ২০
১৮২ সেন্ট মার্টিন ৪০ ৩৩
১৮৩ ইরিত্রিয়া ৩৯ ৩৯
১৮৪ বতসোয়ানা ৩৫ ২০
১৮৫ ভুটান ২৭
১৮৬ অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা ২৫ ১৯
১৮৭ গাম্বিয়া ২৫ ১৮
১৮৮ পূর্ব তিমুর ২৪ ২৪
১৮৯ গ্রেনাডা ২৩ ১৮
১৯০ নামিবিয়া ২১ ১৪
১৯১ লাওস ১৯ ১৪
১৯২ নিউ ক্যালেডোনিয়া ১৮ ১৮
১৯৩ সেন্ট লুসিয়া ১৮ ১৮
১৯৪ কিউরাসাও ১৮ ১৪
১৯৫ ফিজি ১৮ ১৫
১৯৬ সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন আইল্যান্ড ১৮ ১৪
১৯৭ বেলিজ ১৮ ১৬
১৯৮ ডোমিনিকা ১৬ ১৬
১৯৯ সেন্ট কিটস ও নেভিস ১৫ ১৫
২০০ ফকল্যান্ড আইল্যান্ড ১৩ ১৩
২০১ গ্রীনল্যাণ্ড ১২ ১১
২০২ ভ্যাটিকান সিটি ১২
২০৩ টার্কস্ ও কেইকোস আইল্যান্ড ১২ ১০
২০৪ সুরিনাম ১১
২০৫ সিসিলি ১১ ১১
২০৬ মন্টসেরাট ১১ ১০
২০৭ জান্ডাম (জাহাজ)
২০৮ পশ্চিম সাহারা
২০৯ পাপুয়া নিউ গিনি
২১০ সেন্ট বারথেলিমি
২১১ ক্যারিবিয়ান নেদারল্যান্ডস
২১২ এ্যাঙ্গুইলা
২১৩ লেসোথো
২১৪ সেন্ট পিয়ের এন্ড মিকেলন
তথ্যসূত্র: চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন (সিএনএইচসি) ও অন্যান্য।